News update
  • Dhaka Tops Global Pollution List with Hazardous Air     |     
  • Country Observes Martyred Army Day Today     |     
  • 100 CSOs rally against Trump’s trade tactics, urge access to drugs     |     
  • BNP believes in multiparty democracy, not revenge: Moyeen Khan     |     
  • Bangladesh reaffirms commitment to revitalise SAARC process     |     

পিলখানা ট্র্যাজেডির ১৭ বছর, আজ শহীদ সেনা দিবস

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক খবর 2026-02-25, 10:36am

shhiid_senaa_dibs-d8a29fdaf8e2959cc26108a2ca85d8ce1771994167.jpg




পিলখানা ট্র্যাজেডির ১৭ বছর আজ (২৫ ফেব্রুয়ারি)। ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি বিডিআরের (বর্তমানে বিজিবি) ঢাকার পিলখানা সদর দপ্তরে বিদ্রোহের নামে তৎকালীন বিডিআর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদসহ ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ নিহত হন।

গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গতবছর বাংলাদেশের ইতিহাসে বিভীষিকাময় ও শোকাবহ এ দিনটি জাতীয় শহীদ সেনা দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত হয়। 

২০০৯ সালে পিলখানায় সেনা কর্মকর্তাদের নৃশংসভাবে হত্যা করে লাশ গুম এবং পুড়িয়ে ফেলার চেষ্টা করা হয়। তাদের পরিবারের সদস্যদের ওপরও নির্যাতন চালানো হয়। এ দিনটি শুধু বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর জন্য নয়, পুরো জাতির জন্যই শোকাবহ ও হৃদয়বিদারক। 

দিনটি উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, “২৫ ফেব্রুয়ারি, জাতীয় শহীদ সেনা দিবস। ২০০৯ সালের এই দিনে বিডিআর সদর দপ্তর পিলখানায় সেনা হত্যাযজ্ঞ সংঘটিত হয়েছিল। হত্যাযজ্ঞে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন শহীদ হয়েছিল। ২০০৯ সালের পর দিনটি যথাযোগ্য গুরুত্ব সহকারে পালন করা হয়নি। ২০২৪ সালে দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হওয়ার পর থেকে দিনটি ‘শহীদ সেনা দিবস’ হিসেবে পালিত হচ্ছে। আজকের এই বিশেষ দিনে আমরা সেনা হত্যাযজ্ঞে শহীদদের মাগফিরাত কামনা করছি। তাদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সহানুভূতি ও সহমর্মিতা প্রকাশ করছি।”

“পিলখানায় সংঘটিত সেনা হত্যাকাণ্ডের বিচার চলমান। বিচারাধীন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত কিছু বলার অবকাশ নেই। তবে এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব বিরোধী তৎপরতা বিদ্যমান ছিল, নাগরিক হিসেবে এই বিষয়টি আমাদের উপলব্ধিতে থাকা জরুরি বলে আমি মনে করি। এই হত্যাকাণ্ডের পর নানা রকম মিথ্যা কিংবা অপতথ্য দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা হয়েছিল। সশস্ত্র বাহিনী একটি স্বাধীন দেশের সম্মান, বীরত্ব ও গৌরবের প্রতীক। ভবিষ্যতে আর কেউ যাতে সশস্ত্র বাহিনীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হতে না পারে, আজ পুনরায় সেই শপথে বলীয়ান হতে হবে।”

অপরদিকে বিডিআর (বর্তমান বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ) বিদ্রোহে শহীদদের কবরে শ্রদ্ধা জানাবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বনানী সামরিক কবরস্থানে তিনি পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন।

এ বিষয়ে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের প্রটোকল উইং থেকে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জাতীয় সেনা শহীদ দিবস উপলক্ষে সকাল ১০টায় রাষ্ট্রপতি পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন।

বিডিআর সদস্যদের আত্মত্যাগের প্রতি রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ও সম্মানের সঙ্গে শ্রদ্ধা জানাতে এই কর্মসূচি আয়োজন করা হবে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী, জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে কর্মসূচি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।