News update
  • Voting in presidential election Thursday     |     
  • Nairobi Biodiversity Talks Set the Stage for Key COP17 Decisions     |     
  • Indigenous Peoples Call for Meaningful Influence in Climate Discussions — Nia Tero     |     
  • Demand for an hour-long a weekly BTV program titled “Farmer’s Thoughts”     |     
  • ECNEC Approves 10 Projects Worth Tk 9,333 Crore     |     

রাত ১২টার পর খাবার খেলে কী ঘটে শরীরে?

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক খাদ্য 2026-05-16, 7:52am

1d2dae69db1472b810b9d815bfb22ed861c6a99d414236d2-938687d364845653534c35b1584539a11778896348.jpg




রাত ১২টার পর খাবার খাওয়া অনেকের অভ্যাস হলেও এটি শরীরের ওপর নানা ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে নিয়মিত দেরি করে খেলে হজম, ঘুম ও বিপাকক্রিয়ায় সমস্যা দেখা দিতে পারে।

দেখে নিন রাত ১২টার পর খাবার খেলে যা ঘটে শরীরে-

১. হজমে সমস্যা বাড়ে: রাতে শরীরের হজম প্রক্রিয়া ধীর হয়ে যায়। এ সময় ভারী বা তৈলাক্ত খাবার খেলে বদহজম, গ্যাস, বুকজ্বালা ও অ্যাসিডিটির ঝুঁকি বাড়ে।

২. ওজন বৃদ্ধি হতে পারে: দেরি করে খেলে শরীর খাবার থেকে পাওয়া ক্যালোরি দ্রুত পোড়াতে পারে না। ফলে অতিরিক্ত ক্যালোরি চর্বি হিসেবে জমে যেতে পারে, যা ধীরে ধীরে ওজন বাড়ায়।

৩. ঘুমের মান নষ্ট হয়: খাওয়ার পরপর ঘুমালে শরীর বিশ্রামের বদলে খাবার হজমে ব্যস্ত থাকে। এতে গভীর ঘুম ব্যাহত হতে পারে এবং সকালে ক্লান্ত লাগতে পারে।

৪. রক্তে শর্করার ভারসাম্য বিঘ্নিত হতে পারে: রাতে দেরি করে অতিরিক্ত খাবার খেলে রক্তে গ্লুকোজের ওঠানামা বাড়তে পারে। দীর্ঘদিন এমন অভ্যাস থাকলে ডায়াবেটিসের ঝুঁকিও বাড়তে পারে।

৫. হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি বাড়তে পারে: গবেষণায় দেখা গেছে, অনিয়মিত সময় খাওয়া ও গভীর রাতে অতিরিক্ত খাবার গ্রহণ হৃদ্‌স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

৬. সকালে ক্ষুধামন্দা দেখা দেয়: রাতে বেশি খেলে সকালে স্বাভাবিক ক্ষুধা কমে যায়। এতে সকালের নাশতা বাদ পড়ার প্রবণতা তৈরি হয়, যা শরীরের জন্য ভালো নয়।

যদি রাত জাগতেই হয়, তাহলে কী খাবেন?

রাত জাগার সময় খুব ক্ষুধা লাগলে হালকা খাবার বেছে নেয়া ভালো। যেমন—

ফল, দই, বাদাম, ওটস, হালকা স্যুপ,

যেগুলো এড়িয়ে চলবেন-

ভাজাপোড়া, অতিরিক্ত মিষ্টি, কোমল পানীয়, অতিরিক্ত চা-কফি, ফাস্টফুড

সুস্থ থাকার পরামর্শ

ঘুমানোর অন্তত ২–৩ ঘণ্টা আগে রাতের খাবার শেষ করার চেষ্টা করুন। নিয়মিত নির্দিষ্ট সময়ে খাওয়ার অভ্যাস শরীরকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।