News update
  • Ocean’s ability to absorb carbon falling as CC intensifies     |     
  • Bangladesh, Japan Sign Four MoUs and Two Grant Agreements     |     
  • 46 Killed in Collision Between Two High-Speed Trains in Spain     |     
  • Tarique Urges Japanese Investment in Energy, Rail, Technology     |     
  • Tarique Seeks Japan’s Support to Diversify Bangladesh’s Exports     |     

স্বস্তি ফিরছে না বাজারে, ক্রেতা সাধারণের হাঁসফাঁস

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক খাদ্য 2026-06-26, 2:02pm

img_20260626_135933-782953bf9bece4eb57203e349f8cf3c01782460968.jpg




সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও এখনও স্বস্তি ফিরেনি রাজধানীর বাজারে নিত্যপণ্যের দামে। উচ্চমূল্যের কারণে মধ্যবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্ত চাপে রয়েছেন ক্রেতারা। কাঁচাবাজার, মাছ ও মুরগির বাজার—সবখানেই বাড়তি দাম ধরে রাখা হয়েছে। সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও বাজারে সেই একই চিত্র দেখা গেছে।

শুক্রবার (২৬ জুন) সাপ্তাহিক ছুটির দিনে রাজধানী বিভিন্ন ঘুরে এই চিত্র দেখা গেছে।

রাজধানীর উত্তরা সমবায় বাজার ঘুরে দেখা যায়, ঢেঁড়শ, পটল, ঝিঙ্গা, করলা ও চিচিঙ্গা ৬০ থেকে ৮০ টাকা কেজি, বরবটি ৭০ থেকে ৮০ টাকা এবং কাঁচকলা হালি ৩৫ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। 

এ ছাড়া পেঁয়াজ ৫০ থেকে ৬০ টাকা, কাঁচা পেঁপে ৩০ থেকে ৪০ টাকা, গাজর ১০০ থেকে ১২০ টাকা, কচুর লতি ৭০ টাকা এবং শিম ১৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

সবজি বিক্রেতা রোমান বলেন, আমাদের কাছে পাইকারি দামও খুব একটা কমেনি। তাই খুচরা পর্যায়ে কম দামে বিক্রি করা সম্ভব হচ্ছে না।

এদিকে মুরগির দাম আগের সপ্তাহের মতোই রয়েছে। ব্রয়লার মুরগি কেজিপ্রতি ১৬০-১৬৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সোনালী মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩০০ টাকা, লেয়ার মুরগি ৩৪০ থেকে ৩৫০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৬০০ থেকে ৬৫০ টাকা কেজি দরে।

বাজার করতে আসা বেসরকারি চাকরিজীবী সৈকত আহমেদ বলেন, আগে সপ্তাহে এক–দুদিন মাছ বা ভালো মাংস কেনা যেত, এখন হিসাব করে কিনতে হচ্ছে। মুরগিও আগের মতো সাশ্রয়ী নেই। মাসের বাজেট করে চলা এখন কঠিন হয়ে গেছে।

তবে গরু ও খাসির মাংসের বাজার তুলনামূলক স্থিতিশীল রয়েছে। গরুর মাংস কেজিপ্রতি ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকা এবং ছাগল ও খাসির মাংস ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ টাকার মধ্যে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

মাছের বাজারেও দামের চাপ অব্যাহত রয়েছে। বিশেষ করে ইলিশের দাম ক্রেতাদের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল। আকারভেদে ইলিশ মাছ কেজিপ্রতি ১ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার ৭০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।

মাছ বিক্রেতা জামাল বলেন, এই মৌসুমে জোগান ঠিক আছে, কিন্তু দাম বেশি হওয়ায় অনেকেই কিনতে পারছেন না। যারা নিচ্ছেন, তারা ছোট সাইজের ইলিশেই সীমাবদ্ধ থাকছেন।

বাজারে পাঙ্গাস মাছ কেজিপ্রতি ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে বড় রুই ৩ থেকে ৩৫০ টাকা, মাঝারি রুই ২৫০ থেকে ২৭০ টাকা, কাতলা আকারভেদে ২৫০ থেকে ৩৫০ টাকা, পাবদা আকারভেদে ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা, গলদা চিংড়ি ৬৫০ থেকে ৭৫০ টাকা এবং শিং মাছ ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে.

এ ছাড়া ছোট কাঁচকি মাছ ৩০০ টাকা এবং মলা মাছ ২৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। পাইকারি পর্যায়েও সামুদ্রিক মাছের দাম তুলনামূলক বেশি। বড় সাইজের সুরমা মাছ ৩০০ টাকা, রুপচাঁদা ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, লাল কোরাল ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা এবং বাটা মাছ ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।