News update
  • Stocks surge at DSE, CSE for second straight day     |     
  • REHAB seeks Tk 3000 crore special fund support housing sector     |     
  • Trump, Putin discuss Iran conflict, Ukraine settlement in phone call     |     
  • US Launches ‘Most Intense’ Strikes as Iran Vows Response     |     
  • Family Card Scheme to Cover 4 Crore Families in 5 Years     |     

ডায়াবেটিস থাকলে ইফতার ও সেহেরির মাঝে কী খাবেন

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক খাদ্য 2026-03-09, 10:50pm

retreyreyrty-9225c594f8d5ce934fce3aa3f0b673071773075048.jpg




ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য রমজানে দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার পর ইফতার এবং সেহেরির মাঝের সময়টি খুব গুরুত্বপূর্ণ। এই সময় কী খাওয়া হচ্ছে, কতটুকু খাওয়া হচ্ছে - এসবের ওপরই নির্ভর করে রক্তে শর্করার মাত্রা স্থিতিশীল থাকবে কি না। তাই পরিকল্পনা করে খাবার নির্বাচন করলে রোজা রেখে সুস্থ থাকা সম্ভব।

আন্তর্জাতিক ডায়াবেটিস ফেডারেশন (আইডিএফ)-এর মতে, ডায়াবেটিস রোগীদের ইফতার ও সেহেরির মাঝের সময়টিতে এমন খাবার বেছে নেওয়া উচিত যা ধীরে ধীরে শক্তি দেয় এবং রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ বাড়িয়ে দেয় না।

ইফতারের পর কী খাওয়া ভালো?

অনেকেই ইফতারের সময় অতিরিক্ত ভাজাপোড়া বা মিষ্টি খেয়ে ফেলেন। এতে রক্তে শর্করা দ্রুত বেড়ে যেতে পারে। তাই ইফতার শুরু করা ভালো খেজুর ও পানি দিয়ে, তবে ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে খেজুরের পরিমাণ সীমিত রাখা উচিত।

এরপর খাবারের তালিকায় রাখা যেতে পারে সবজি স্যুপ, সালাদ, অল্প পরিমাণ ব্রাউন রাইস বা আটার রুটি, গ্রিল বা সেদ্ধ মাছ-মাংস, ডাল ও শাকসবজি। ভাজাপোড়া খাবার, অতিরিক্ত মিষ্টি বা চিনি মেশানো পানীয় এড়িয়ে চলাই ভালো।

ইফতার ও সেহেরির মাঝের সময় কী খাবেন?

এটি সাধারণভাবে রাতের খাবারের সময়। কিন্তু রমজান মাসে হিসাবটা একটু আলাদা। এই সময়টিতে একসঙ্গে বেশি না খেয়ে ছোট ছোট ভাগে খাবার খাওয়া ভালো। এতে রক্তে শর্করার ওঠানামা কম হয়।

খাবারের তালিকায় রাখতে পারেন ফল (আপেল, পেয়ারা, কমলা), চিনি ছাড়া দই, বাদাম বা কাঠবাদাম অল্প পরিমাণে, চিয়া সিড বা ওটস, ডাবের পানি বা পর্যাপ্ত স্বাভাবিক পানি।

এসব খাবার শরীরে ধীরে শক্তি জোগায় এবং দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে।

সেহেরির আগে কী খেয়াল রাখবেন?

ইফতার ও সেহেরির মাঝখানে পর্যাপ্ত পানি পান করা খুব গুরুত্বপূর্ণ। কারণ পানিশূন্যতা রক্তে শর্করার ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে। অবশ্যই রাতের এই সময়টিতে অতিরিক্ত মিষ্টি, সফট ড্রিংকস বা প্রসেসড খাবার এড়িয়ে চলা উচিত।

যেসব বিষয় মনে রাখবেন

রোজার সময় নিয়মিত রক্তে শর্করা পরীক্ষা করা দরকার। মাথা ঘোরা, অতিরিক্ত দুর্বলতা, ঘাম বা কাঁপুনি হলে তা হাইপোগ্লাইসেমিয়ার লক্ষণ হতে পারে। এ ক্ষেত্রে রোজা ভেঙে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।

রোজা শুরু করার আগে চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে নেওয়াও গুরুত্বপূর্ণ, কারণ সব ডায়াবেটিস রোগীর জন্য রোজা রাখা নিরাপদ নাও হতে পারে।

ডায়াবেটিস থাকলেও সচেতন খাদ্যাভ্যাস ও পরিকল্পনার মাধ্যমে রোজা রাখা সম্ভব। ইফতার ও সেহেরির মাঝের সময়টি সঠিকভাবে কাজে লাগালে রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হয়। তাই তাড়াহুড়া বা অতিরিক্ত খাবার নয়, পরিমিত ও স্বাস্থ্যকর খাবারই হতে পারে সুস্থ রমজানের চাবিকাঠি।