News update
  • People positive on Padma Barrage, experts urge caution over fallout     |     
  • Parties convey their expectations at Bonn climate talks     |     
  • ECNEC Approves 8 Projects Worth Tk 2,266 Crore     |     
  • No Plan to Drop Bangla, History from Honours: Milon     |     
  • Global turmoil shadows Bonn climate talks     |     

পশ্চিমবঙ্গে দ্বিতীয়দফায় ভোটগ্রহণ চলছে

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক গনতন্ত্র 2026-04-29, 9:01am

nirbaacn_bhaart_1-f3a9b546adfd95ca7212ec661afe1eea1777431685.jpg




ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় ও শেষ দফার ভোটগ্রহণ চলছে। আজ বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকাল ৭টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে; যা চলবে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত। এ দফায় রাজ্যের সাতটি জেলার মোট ১৪২টি বিধানসভা কেন্দ্রে প্রার্থীদের ভাগ্য নির্ধারণ হবে।

জেলাগুলো হলো নদিয়া, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, কলকাতা, হাওড়া, হুগলি ও পূর্ব বর্ধমান। ভোটকে ঘিরে বাংলাদেশ সীমান্তে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে।

অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশন কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণে নির্বাচন কমিশন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ব্যাপক তৎপরতা দেখাচ্ছে। প্রতিটি বুথ ও স্পর্শকাতর এলাকায় বিপুলসংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

এদিকে দ্বিতীয় দফায় ভোটগ্রহণের আগের দিন গতকাল ভোটাধিকার ফিরে পেয়েছেন প্রায় দেড় হাজার ভোটার। যদিও নির্বাচনের সঙ্গে সরাসরি জড়িত রয়েছেন, এমন কেউ কেউ ভোটার তালিকায় নাম না থাকার কথা বলছেন। ভারতের শীর্ষ আদালতের নির্দেশ মেনে বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফায় ভোটগ্রহণের ২৪ ঘণ্টা আগে প্রকাশিত হয় অতিরিক্ত এ ভোটার তালিকা।

রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনি কর্মকর্তা মনোজ কুমার আগরওয়াল জানান, আপিলেত ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্তের পর তালিকায় যুক্ত হন ১ হাজার ৪৬৮ ভোটার। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, তারা ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন।

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের শেষ দফায় মোট ১ হাজার ৪৪৮ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, যার মধ্যে ২২০ নারী প্রার্থী। আর উল্লেখযোগ্য প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, বিরোধী দল বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীসহ একাধিক নেতা।

মোট বুথের সংখ্যা ৪১ হাজার ১। এর মধ্যে প্রধান বুথ ৩৯ হাজার ৩০১ এবং সহায়ক বুথ প্রায় ১ হাজার ৭০০টি। পাশাপাশি থাকছে ২৯৮টি মডেল ভোটগ্রহণ কেন্দ্র। বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের জন্য ১৩টি বিশেষ ভোটগ্রহণ কেন্দ্র রয়েছে।

নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে নির্বাচন কমিশন বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকছে। পাশাপাশি থাকছে ৩৮ হাজার ২৯৭ রাজ্য পুলিশও। কলকাতা সংলগ্ন নিউটাউনে রয়েছে স্পেশাল কন্ট্রোল রুম। এছাড়া ১৪২ সাধারণ পর্যবেক্ষক ও ৯৫ জন পুলিশ পর্যবেক্ষক দায়িত্বে রয়েছেন। সাময়িকভাবে সিল করে দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত।

প্রথম দফার ভোট ২৩ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে রেকর্ড ৯৩ দশমিক ১৯ শতাংশ ভোট পড়েছিল। ভোট গণনা অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৪ মে।