News update
  • US Envoy Sergio Gor Meets PM Tarique Rahman in Dhaka     |     
  • Fifa Scraps World Cup Investment Plan After Member Backlash     |     
  • Dhaka Air Quality Remains Moderate, Ranks 18th Globally     |     
  • US urges global partners to increase contributions for Rohingyas     |     
  • 18 Rohingyas rescued after boat capsizes off Teknaf, many missing     |     

আগামী কয়েক মাসে তাপপ্রবাহ আরও বাড়াবে শক্তিশালী এল নিনো

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক জলবায়ু 2026-08-01, 11:59am

afp_20260602_b4nb6nq_v1_highres_switzerlandweatherclimateelnino-0772d65900469bcfd3dd33221ae16cc61785563990.jpg




দ্রুত শক্তিশালী হয়ে ওঠা এল নিনো আগামী কয়েক মাসে বিশ্বের আবহাওয়ার ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলবে এবং তাপপ্রবাহ, খরা ও বন্যার ঝুঁকি আরও বাড়াবে বলে সতর্ক করেছে জাতিসংঘের বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (ডব্লিউএমও)।

স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩১ জুলাই) প্রকাশিত সংস্থাটির সর্বশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আফ্রিকা ও ইউরোপে ভয়াবহ দাবানল এবং দক্ষিণ এশিয়ায় মৌসুমি বৃষ্টির কারণে সৃষ্ট দুর্যোগের মধ্যেই এল নিনো বৈশ্বিক আবহাওয়াকে আরও অস্থির করে তুলতে পারে। খবর আল জাজিরার। 

জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেছেন, এল নিনো এখন আর শুধু আমাদের দরজায় কড়া নাড়ছে না, এটি ইতোমধ্যে ঘরের ভেতরে ঢুকে তাপমাত্রা আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। এটি কেবল শুরু। শক্তিশালী হয়ে ওঠা এল নিনো আগুনে জ্বলতে থাকা পৃথিবীতে আরও জ্বালানি যোগ করছে।

ডব্লিউএমও জানিয়েছে, মধ্য প্রশান্ত মহাসাগরের সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় ২ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসেরও বেশি বাড়তে পারে। এই অস্বাভাবিক উষ্ণতা বৈশ্বিক আবহাওয়ার স্বাভাবিক ধারা বদলে দিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে তাপমাত্রা আরও বাড়িয়ে তুলবে।

গুতেরেস জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, মানবসৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে এল নিনোর প্রভাব একত্রিত হয়ে পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তুলছে।

তিনি জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার ও সম্প্রসারণকে এই সংকটের অন্যতম প্রধান কারণ উল্লেখ করে নতুন কয়লা, তেল ও গ্যাস প্রকল্প বন্ধের আহ্বান জানান।

ডব্লিউএমওর পূর্বাভাস অনুযায়ী, বিশ্বের প্রায় সব স্থলভাগেই স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি তাপমাত্রা বিরাজ করবে। সবচেয়ে বেশি তাপপ্রবাহের ঝুঁকিতে থাকবে আফ্রিকা, দক্ষিণ ইউরোপ, ভারতীয় উপমহাদেশ, পূর্ব এশিয়া এবং দক্ষিণ আমেরিকা।

ডব্লিউএমওর মহাসচিব সেলেস্তে সাউলো বলেন, এল নিনোকে নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হলেও কেবল পূর্বাভাস যথেষ্ট নয়। ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে সুরক্ষিত রাখতে সরকার ও মানবিক সংস্থাগুলোকে দ্রুত বাস্তব পদক্ষেপ নিতে হবে।

সেলেস্তে সাউলো বলেন, পূর্বাভাস নিজে থেকে কোনো দুর্যোগ ঠেকাতে পারে না; মানুষই তা পারে। আজ আমরা যে সিদ্ধান্ত নেব, আগামী দিনের ক্ষয়ক্ষতি তার ওপরই নির্ভর করবে।

এদিকে বিজ্ঞানীরা সতর্ক করেছেন, চলতি বছরের দ্বিতীয়ার্ধে এল নিনো আরও শক্তিশালী হয়ে রেকর্ড মাত্রায় পৌঁছাতে পারে। তবে কম্পিউটারভিত্তিক পূর্বাভাসে এখনো কিছুটা অনিশ্চয়তা রয়েছে।