News update
  • PM Proposes Five Urgent Steps to Resolve Rohingya Crisis     |     
  • Govt Appoints Indonesian Firm to Operate Cox’s Bazar SPM     |     
  • ADB lowers Bangladesh’s growth forecast to 4 % in FY2027     |     
  • El Niño Tests Global Readiness for a Changing Climate     |     
  • Dhaka's air quality recorded moderate on Wednesday morning      |     

ফরিদগঞ্জে ভোটযুদ্ধে নতুন সমীকরণ — স্বতন্ত্র প্রার্থী এম.এ. হান্নান

নির্বাচন 2026-01-18, 12:32am

indepenmdent-candidate-ma-hannan-19a1a4e40268cc49156e4e7ecbd197d31768674735.jpeg

Indepenmdent candidate MA Hannan



আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী মাঠে সরব হয়েছেন আলহাজ্ব এম.এ. হান্নান। বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকলেও এবার দলীয় মনোনয়ন না পাওয়া তাকে স্বতন্ত্র প্রার্থীর দৌড়ে নামিয়েছে। স্থানীয়ভাবে তাকে অনেকেই বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবেও দেখছেন।

ব্যবসায়ী ও সমাজসেবী ব্যাকগ্রাউন্ড

আলহাজ্ব এম.এ. হান্নান পেশায় একজন সফল শিল্পপতি এবং আর্থিক খাতের উদ্যোক্তা। তিনি মার্কেন্টাইল ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে ব্যক্তিগত উদ্যোগে সহায়তা করেছেন। এসব কর্মকাণ্ড তাকে স্থানীয় মানুষের কাছে আস্থার জায়গায় দাঁড় করিয়েছে।

বিএনপির তৃণমূল থেকে উঠে আসা নেতা

ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হান্নান সময়ের সঙ্গে তৃণমূল বিএনপির কর্মী-নেতাদের কাছে গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেন। ২০২৩ সালে তিনি ফরিদগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পান। সেই পদে থেকে তিনি সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড জোরদার করেন এবং নেতাকর্মীদের সক্রিয় রাখতে ভূমিকা রাখেন।

মনোনয়ন বঞ্চনা ও স্বতন্ত্র লড়াই

চাঁদপুর-৪ আসনে দলীয় নমিনেশন প্রত্যাশী ছিলেন তিনি। কিন্তু মনোনয়ন না পেলে তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। এসময় এলাকাজুড়ে মশাল মিছিল, সড়ক অবরোধ, বিক্ষোভ এবং ‘হান্নানকে চাই’ স্লোগানে উত্তাপ ছড়ায়। সমর্থকদের দাবি ও নিজের অবস্থান ধরে রেখে হান্নান শেষ পর্যন্ত স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন লড়ার ঘোষণা দেন।

চ্যালেঞ্জ ও বিতর্ক

একজন বিরোধী দলের নেতা হিসেবে অতীতেও রাজপথে তাকে নানা চাপে পড়তে হয়েছে। মামলা, রাজনৈতিক হয়রানি এবং ২০২৫ সালে গ্রেফতারের অভিজ্ঞতা থাকা সত্ত্বেও তিনি মাঠের রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়াননি—এ বিষয়টি সমর্থকদের মধ্যে তার প্রতি আস্থা আরও বাড়িয়েছে বলে স্থানীয়রা জানাচ্ছেন।

উন্নয়নমুখী দৃষ্টিভঙ্গি

স্থানীয়ভাবে জনপ্রিয়তার কারণ হিসেবে যে বিষয়গুলো বারবার উঠে আসে— রাস্তা ও সেতু নির্মাণে সহায়তা, মসজিদ-মাদ্রাসায় অনুদান, শিক্ষাখাতে সহযোগিতা, অসহায় মানুষকে চিকিৎসা ও আর্থিক সহায়তা, জনপ্রতিনিধি না হয়েও এসব উদ্যোগে হান্নানকে স্থানীয়রা “কর্মীবান্ধব” ও “জনদরদি” বলে আখ্যা দিয়ে থাকেন।

ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা

রাজনৈতিক মহলের বিশ্লেষণে বলা হচ্ছে—এই স্বতন্ত্র লড়াই ফরিদগঞ্জের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে। নির্বাচনী ফল যাই হোক, তৃণমূল বিএনপি এবং স্থানীয় নেতৃত্ব কাঠামোয় হান্নানের প্রভাব আরও বৃদ্ধি পাবে বলে অনেকে মনে করছেন।

ভোটার তথ্য ও কেন্দ্র

চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ ও পৌরসভা) আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৬৩১ জন।

এর মধ্যে—পুরুষ ভোটার: ২ লাখ ৮ হাজার ৬০৪ জন, নারী ভোটার: ১ লাখ ৯২ হাজার ২৬ জন, মোট ভোটকেন্দ্র ১১৮টি এবং ভোটকক্ষ ৭৩৭টি।