News update
  • Bangladesh Seeks Additional $10b From World Bank     |     
  • Fire at Chawkbazar market under control, four firefighters injured     |     
  • 3,156-pound pumpkin grown in Rhode Island is possible world record     |     
  • Explosions rock Riyadh as Iranian strikes on vessels in Hormuz intensify     |     
  • Nobel Peace laureate defends international justice amid US criticism     |     

বাংলাদেশিদের ২৫০ মিলিয়ন পাউন্ডের বেশি সম্পদ জব্দ করেছে যুক্তরাজ্য

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক প্রবাস 2026-04-29, 2:06pm

546y5ty5464-b8afb0736b6912bf21875acc9c99e97f1777449987.jpg




২০২৫ সালের জুন থেকে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশি নাগরিকদের ২৫০ মিলিয়ন পাউন্ডের বেশি সম্পদ জব্দ করেছে যুক্তরাজ্য। 

মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) জাতীয় প্রেসক্লাবে এক অনুষ্ঠানে এ তথ্য তুলে ধরেন ঢাকায় নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক। অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে ডিপ্লোম্যাটিক করেসপনডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ডিক্যাব)। 

আইনের শাসন ও আন্তর্জাতিক আর্থিক ব্যবস্থার স্বচ্ছতা রক্ষায় দৃঢ় অবস্থানের কারণেই যুক্তরাজ্য এই পদক্ষেপ নিয়েছে বলে জানান সারাহ কুক। 

ব্রিটিশ হাইকমিশনার বলেন, আমরা এ বিষয়ে আরও কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তবে নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি বা ঘটনার বিষয়ে আমরা কথা বলতে পারি না। প্রতিটি ক্ষেত্রেই আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা এবং প্রমাণের ভিত্তিতে পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। এ বিষয়টি আমাদের কাছে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পাচ্ছে। 

তিনি বলেন, গত দেড় থেকে দুই বছর ধরে এ বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে যুক্তরাজ্য। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সুশাসন জোরদারের ক্ষেত্রে সহায়তা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ আমরা।  

সারাহ কুক বলেন, আমি মনে করি, এখন পর্যন্ত নেওয়া পদক্ষেপগুলোই প্রমাণ করে যে এ বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে কাজ করতে আমরা কতটা আন্তরিক।

ব্রিটিশ হাইকমিশনার এরপর জানান, আগামী জুনে লন্ডনে ইলিসিট ফাইন্যান্স সামিট (অবৈধ অর্থায়ন বিষয়ক সম্মেলন) আয়োজন করবে যুক্তরাজ্য। সেখানে অবৈধ অর্থপ্রবাহ ঠেকাতে পারস্পরিক সহযোগিতা, অভিজ্ঞতা বিনিময় ও সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হবে।

আগামী ২৩ ও ২৪ জুন লন্ডনের ল্যাঙ্কাস্টার হাউসে দুদিনব্যাপী এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এতে বিভিন্ন দেশের সরকার, নাগরিক সমাজ এবং বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন। বিশ্বজুড়ে অবৈধ অর্থায়ন ঠেকানো এবং যুক্তরাজ্যের জাতীয় নিরাপত্তা জোরদার করতে একটি আন্তর্জাতিক জোট গঠন হবে এই সম্মেলনের লক্ষ্য। 

সারাহ কুক বলেন, আমরা আশা করি, এই সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব থাকবে। এই গুরুত্বপূর্ণ আয়োজনে আমরা বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রীকে (আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী) স্বাগত জানানোর অপেক্ষায় আছি।

জানা গেছে, আসন্ন এ সম্মেলনে বেসরকারি খাতের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার মাধ্যমে কালোটাকা প্রতিরোধ, পাচার চক্র ভেঙে দেওয়া এবং পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধারের মতো বিষয়গুলোতে জোর দেওয়া হবে। পাশাপাশি আবাসন খাতে অর্থ পাচার, ক্রিপ্টো-সম্পদের অপব্যবহার এবং অবৈধ সোনার ব্যবসার মতো আধুনিক পাচার কৌশলগুলো মোকাবিলায় নতুন চুক্তি সই হবে।  

অনুষ্ঠানে ডিক্যাব সভাপতি এ কে এম মঈনুদ্দিন এবং সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ইমরুল কায়েসও বক্তব্য দেন।