News update
  • 200 economists for urgent action to tackle AI's impact on jobs, economy     |     
  • PM Launches National Startup Platform for Entrepreneurs     |     
  • HSC Examinees Block Roads, Demand Exam Suspension     |     
  • France, Spain set for blockbuster World Cup semifinal      |     
  • Oil prices jump as fighting flares in the Middle East; Asian shares mixed     |     

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হওয়া চুক্তি সংসদে তোলার দাবি রুমিন ফারহানার

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক খবর 2026-04-29, 1:59pm

tyryerterwer-f8a868cf157fd2556e4d949ec489426a1777449565.jpg




যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত বাণিজ্য চুক্তিকে ‘দেশের স্বার্থবিরোধী’ দাবি করে তা সংসদে তোলার আহ্বান করেছেন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। তিনি বলেছেন, নির্বাচনের আগে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সই হওয়া বাণিজ্য চুক্তিতে বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী ধারা রয়েছে বলে তখন আপত্তি উঠেছিল। সরকার চাইলে ৬০ দিনের মধ্যে এটি বাতিলও করতে পারে।

বুধবার (২৯ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ২৪তম অধিবেশনে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে তিনি এ দাবি তোলেন। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।

প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্ব শেষ হওয়ার পর পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে রুমিন ফারহানা সংসদকে বলেন, মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে আমাদের বাণিজ্যমন্ত্রীর একটি বৈঠক হয়েছে। সেই বৈঠকে আমাদের সঙ্গে আমেরিকার যে বাণিজ্য চুক্তি হয়েছে সে বিষয়ে বেশ কিছু কথা বলেছেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত। তার মধ্যে দুই দেশের আমদানি রফতনির ঘাটতি, বাংলাদেশের কৃষি ও জ্বালানিপণ্য আমদানির প্রতিশ্রুতি, দেশে ব্যবসার পরিবেশ উন্নয়ন ও বিনিয়োগ আকর্ষণের জন্য নীতি সংস্কারের মতো উল্লেখযোগ্য বিষয়গুলো মার্কিন রাষ্ট্রদূত তুলে ধরেন।

রুমিন ফারহানা আরও বলেন, মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বক্তব্য অনুযায়ী- বাংলাদেশ থেকে আমরা যুক্তরাষ্ট্রে যে পরিমাণ পণ্য রফতানি করি, তার তুলনায় আমেরিকা থেকে আমদানি কম। এই ভারসাম্যহীনতার কারণেই বাণিজ্য ঘাটতি তৈরি হয়েছে। সেই ঘাটতি পূরণের লক্ষ্যেই চুক্তিটি করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনের মাত্র তিন দিন আগে, ৯ ফেব্রুয়ারি এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। তার দাবি অনুযায়ী, তখন দেশের বিভিন্ন সুশীল সমাজ ও থিংক ট্যাংক থেকে বলা হয়েছিল, একটি অন্তর্বর্তী সরকার এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি করতে পারে না এবং এতে দেশের স্বার্থবিরোধী কিছু ধারা থাকতে পারে।

তিনি আরও বলেন, অনেকেই বলেছিলেন নির্বাচনের পর একটি নির্বাচিত সরকার এসে এই চুক্তি করা উচিত ছিল। কিন্তু দুঃখজনকভাবে অন্তর্বর্তী সরকার সেই পরামর্শ উপেক্ষা করে ৯ ফেব্রুয়ারি চুক্তিটি স্বাক্ষর করে।

রুমিন ফারহানা আরও উল্লেখ করেন, চুক্তির শর্ত অনুযায়ী কিছু প্রতিযোগিতামূলক নীতি ও বাণিজ্যিক শর্ত রয়েছে, যা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডারে বক্তব্য দিতে গিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার উত্থাপিত বিষয়টি গ্রহণ করেননি স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ।

এ সময় স্পিকার বলেন, সংসদের নিয়ম অনুযায়ী পয়েন্ট অব অর্ডার শুধুমাত্র চলমান সংসদীয় কার্যক্রম বা সংসদের শৃঙ্খলা রক্ষার বিষয়েই প্রযোজ্য। এ প্রসঙ্গে তিনি ৩০১ বিধির উল্লেখ করে জানান, এটি একটি নতুন নীতিগত বিষয় হওয়ায় পয়েন্ট অব অর্ডার হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়। বিষয়টি আনুষ্ঠানিক নোটিশের মাধ্যমে উত্থাপনের পরামর্শ দেন তিনি।

এরপর এক মিনিট সময় চেয়ে রুমিন ফারহানা বলেন, এই চুক্তিটি যদি সরকার চায়, তাহলে তা বাতিল করা সম্ভব। তাই চুক্তিটি সংসদে আনা হোক।

জবাবে স্পিকার পুনরায় জানান, বিষয়টি পয়েন্ট অব অর্ডার হিসেবে গ্রহণ করা সম্ভব নয় বলে দুঃখ প্রকাশ করেন।