News update
  • BNP and Jamaat election camps vandalized in Gazipur     |     
  • Dhaka requests UN rights office investigation into Hadi murder     |     
  • Bangladesh establishes formal diplomatic ties with Grenada     |     
  • Dhaka air ‘very unhealthy’ Friday, ranks fourth worst globally     |     
  • Human Rights Record ‘Alarming’ Over 17 Months, Says HRSS     |     

বাংলাদেশিসহ সব বিদেশির জন্য সুইডেনের বড় সুখবর

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক প্রবাস 2026-01-09, 9:53pm

retttttt-b9cbdce26ca4c0d0483fb7510ac832c71767973980.jpg




সুইডেনে বসবাসরত বাংলাদেশিসহ সব অভিবাসীর জন্য নতুন বছরের শুরুতেই একগুচ্ছ ইতিবাচক উদ্যোগের কথা ঘোষণা করেছে স্টকহোম কর্তৃপক্ষ। বিশেষ করে যারা দেশটিতে নতুন এসেছেন, তাদের জন্য স্থানীয় শ্রমবাজারে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পথ আরও সহজ করা হচ্ছে। ইউরোপীয় কমিশনের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, অভিবাসীদের দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে স্থানীয় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং সরকারি খাতের সমন্বয়ে একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক তৈরি করেছে সুইডেন। এর ফলে শরণার্থীসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আসা দক্ষ অভিবাসীদের জন্য চাকরির বাজারে প্রবেশের সুযোগ বাড়বে।  

স্টকহোম কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠন করা। যেখানে অভিবাসীরা কেবল আশ্রিত হিসেবে নয়, বরং দক্ষ কর্মশক্তি হিসেবে দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখতে পারবেন। শিক্ষা ও পেশাদার প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাদেরকে সুইডিশ সমাজের মূলধারার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে সব ধরনের সহায়তা দেওয়া হবে। সরকারের এই ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি দেশটিতে নতুন আসা হাজার হাজার মানুষের মাঝে আশার আলো সঞ্চার করেছে।

অভিবাসন নীতিতে কিছু পরিবর্তনের আভাস পাওয়া গেলেও, সরকার স্পষ্ট করেছে যে এর মূল লক্ষ্য হলো যোগ্য ব্যক্তিদের সুইডিশ নাগরিকত্ব পেতে উৎসাহিত করা। অভিবাসনমন্ত্রী ইয়োহান ফোরসেল জানিয়েছেন, যারা সুইডেনে দীর্ঘমেয়াদে বসবাস করছেন, তাদেরকে অস্থায়ী সুরক্ষার বদলে স্থায়ীভাবে নাগরিকত্ব দিয়ে সমাজের অবিচ্ছেদ্য অংশ করে নেওয়া হবে। এর ফলে বৈধ অভিবাসীদের সামাজিক নিরাপত্তা ও রাষ্ট্রীয় অধিকার আরও সুসংহত হবে।

যারা কোনো কারণে সুইডিশ সমাজের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে পারছেন না বা নিজ দেশে ফিরে যেতে চান, তাদের জন্যও সুখবর রয়েছে। নতুন বছরের প্রথম দিন থেকেই কার্যকর হয়েছে বড় অংকের ‘প্রত্যাবাসন অনুদান’। অর্থাৎ, কোনো অভিবাসী যদি স্বেচ্ছায় নিজ দেশে ফিরতে চান, তবে সুইডেন সরকার তাকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ আর্থিক সহায়তা প্রদান করবে। এই আর্থিক প্যাকেজটি শরণার্থীদের নতুন করে নিজ দেশে জীবন শুরু করতে বড় ধরনের শক্তি যোগাবে বলে মনে করছে অভিবাসন সংস্থা।