News update
  • FY27 Budget Reflects Public Aspirations: Khosru     |     
  • 3 Red Cards Mar Mexico vs South Africa World Cup Opener     |     
  • Hwang In-beom inspires South Korea's 2-1 victory over Czech Republic     |     
  • TIN mandatory for opening bank Ac; excise duty ceiling Tk 4 lakh     |     
  • Tk 9.38 lakh crore budget with Tk 2.43 cr deficit placed     |     

বাতাস ছাড়া বল দিয়ে খেলা হচ্ছে বিশ্বকাপ

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক ফুটবল 2026-06-12, 11:03pm

tryrtyertwrtwe-0ff6d8966a8d2f94154ab0c223aeff141781283805.jpg




পুরো বিশ্ব এখন বুঁদ হয়ে আছে ফুটবল বিশ্বকাপে। টুর্নামেন্টটিকে কেন্দ্র করে ছোট ছোট বিষয়ও এখন ফুটবলপ্রেমীদের আলোচনায় জায়গা করে নিচ্ছে। তবে এই আলোচনায় ইতোমধ্যেই অনেক বড় স্থান দখল করেছে এবারের বিশ্বকাপের অফিশিয়াল বল 'ট্রায়োন্ডা'। তিন আয়োজক দেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের মেলবন্ধনে বলটি তৈরি করা হয়েছে ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে।

'ট্রায়োন্ডা' নামটি মূলত দুটো শব্দের সমন্বয়ে তৈরি। ইংরেজি উপসর্গ 'ট্রাই' অর্থ তিন এবং স্প্যানিশ শব্দ 'ওন্ডা' অর্থ তরঙ্গ বা ঢেউ। অর্থাৎ পুরো নামটির অর্থ দাঁড়ায় 'তিনটি ঢেউ'। ফুটবল ইতিহাসের প্রথম দলগত আয়োজন হিসেবে কানাডা, মেক্সিকো এবং যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ আয়োজনকে উদ্দেশ্য করেই এই নামকরণ করা হয়েছে।

বিশ্বখ্যাত ক্রীড়াসামগ্রী প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান অ্যাডিডাস প্রস্তুত করেছে বিশ্বকাপের এই বল। বলের মূল নকশায় ব্যবহার করা হয়েছে লাল, সবুজ এবং নীল রঙের বিশেষ ঢেউ, যা প্রতিটি আয়োজক দেশকে নির্দেশ করে। শুধু তাই নয়, বলের গায়ে গ্রাফিক্স আকারে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে তিন দেশের জাতীয় প্রতীক।

বলের কেন্দ্রে প্যানেলগুলো ত্রিভুজের আকৃতিতে মিলিত হয়েছে, যা উত্তর আমেরিকার এই তিন দেশের ঐতিহাসিক ঐক্য ও ফুটবলীয় উন্মাদনার প্রতীক।

ডিজাইনের পাশাপাশি ট্রায়োন্ডার সবচেয়ে বড় চমক এর গঠনে। সাধারণত ফুটবল তৈরিতে অনেকগুলো প্যানেল ব্যবহার করা হলেও ট্রায়োন্ডা মাত্র ৪টি প্যানেল দিয়ে তাপীয় পদ্ধতিতে জোড়া দিয়ে তৈরি করা হয়েছে। বিশ্বকাপ ফুটবলের ইতিহাসে এটিই সবচেয়ে কম প্যানেল বিশিষ্ট বল।

এটিতে মূলত বাতাস দিতে হয় না, চার্জ দিতে হয়। স্মার্টফোনের মতো চার্জার দিয়ে চার্জ দেয়ার পর এটি ৬ ঘণ্টা সেই চার্জ ধরে রাখে।

উইন্ড টানেল পরীক্ষায় দেখা গেছে, বলটির গভীর সেলাই এবং জ্যামিতিক রেখা বাতাসে এর গতিপথকে অবিশ্বাস্য রকমের স্থিতিশীল রাখবে। এর ফলে গতি কমে আসার মুহূর্তেও বলের আচরণ থাকবে একদম নিখুঁত ও অনুমানযোগ্য, যা আধুনিক ফুটবলে চমৎকার পাসিং ও গোলকিপিং নিশ্চিত করবে। এছাড়া বলের উপরিভাগের বিশেষ টেক্সচার ভেজা বা আর্দ্র আবহাওয়াতেও খেলোয়াড়দের নিখুঁত গ্রিপ এবং অতিরিক্ত স্পিন দেওয়ার সুবিধা দেবে।

প্রযুক্তির দিক থেকে ট্রায়োন্ডা এক নতুন দিগন্তের সূচনা করেছে। বলটির ভেতরে যুক্ত করা হয়েছে অ্যাডিডাসের অত্যাধুনিক 'কানেক্টেড বল টেকনোলজি'। বলের ভেতরে একটি প্যানেলে স্থাপন করা হয়েছে ৫০০ হার্জ ইনার্শিয়াল মেজারমেন্ট ইউনিট মোশন সেন্সর চিপ। এই সেন্সরটি প্রতি সেকেন্ডে ৫০০ বার বলের নিখুঁত গতিবিধি ও স্পর্শের ডেটা ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারির কাছে তাৎক্ষনিকভাবে সরবরাহ করবে। ফলে মাঠের রেফারিরা চোখের পলকে নিখুঁত ও দ্রুততম সময়ে অফসাইডের সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন এবং ডি-বক্সের ভেতর হ্যান্ডবল বা ফাউলের মতো বিতর্কিত পরিস্থিতিগুলো চিপের ডেটা বিশ্লেষণ করে মুহূর্তেই সমাধান করা সম্ভব হবে।