
বিশ্বকাপ যত শেষের দিকে এগোচ্ছে, ততই তীব্র হচ্ছে গোল্ডেন বলের লড়াই। এটি আর শুধু একটি ব্যক্তিগত পুরস্কার নয়, বরং পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে কে সবচেয়ে বড় প্রভাব ফেলেছেন তার স্বীকৃতি। আর সেই দৌড়ে এবার আবেগ, অভিজ্ঞতা আর তরুণ ঝলকের এক অসাধারণ মিশেল দেখা যাচ্ছে।
এই দৌড়ে সবচেয়ে সামনে যিনি, তিনি লিওনেল মেসি। বয়স ৩৯ হলেও মাঠে তার প্রভাব এখনও অবিশ্বাস্য। ইতোমধ্যে ৮ গোল করে শীর্ষে থাকা এই আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি শুধু গোলই করছেন না, ম্যাচের গতিপথও বদলে দিচ্ছেন একাই। গোলের পাশাপাশি অ্যাসিস্টেও অবদান রাখছেন। দুটি অ্যাস্টিস্ট করেছেন এখনও পর্যন্ত। বড় ম্যাচে তার ধারাবাহিক পারফরম্যান্সই তাকে আবারও গোল্ডেন বলের প্রধান দাবিদার বানিয়ে চলেছে।
মেসির সঙ্গে মিলিয়ে চলছেন ফরাসি তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পে। তিনিও ৮ গোল নিয়ে সমানতালে লড়ছেন, সঙ্গে রয়েছে তিনটি অ্যাসিস্ট। গতি আর ফিনিশিংয়ে প্রতিপক্ষকে বারবার ভেঙে দিচ্ছেন এই ফরাসি তারকা, আর গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে নেওয়ার ক্ষমতাই তাকে সবচেয়ে বড় প্রতিদ্বন্দ্বী করে তুলেছে।
এই লড়াইয়ে নতুন ঝড় তুলেছেন জুড বেলিংহ্যাম। নকআউট পর্বে টানা গুরুত্বপূর্ণ গোল করে ইংল্যান্ডকে এগিয়ে নিচ্ছেন তিনি। ইতিহাস গড়ার মতো পারফরম্যান্সে ইতোমধ্যেই নিজেকে প্রমাণ করেছেন বড় মঞ্চের খেলোয়াড় হিসেবে। ৬ গোলের সঙ্গে একটি অ্যাসিস্ট তার।
এছাড়া আলোচনায় আছেন হ্যারি কেইন, উসমান দেম্বেলেরা। কেইনের ৬ গোল, এক অ্যাসিস্ট, দেম্বেলের ৫ গোল, দুই অ্যাসিস্ট। কেউ গোলের দিক থেকে এগিয়ে, কেউ বা ম্যাচে প্রভাব বিস্তারে। তবে দল কতদূর যাচ্ছে, সেটিই শেষ পর্যন্ত নির্ধারণ করবে কে থাকবেন শেষ হাসিতে।