
গত অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে দেশে তুলা ও সুতা আমদানি কমেছে। একই সঙ্গে কমেছে স্ট্যাপল ফাইবার, তৈরি পোশাক শিল্পে দরকারি ডাইং ও চামড়ার শিল্পের ট্যানিং ম্যাটারিয়ালসের আমদানিও। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ ব্যালেন্স অব পেমেন্টের তথ্যে এমন চিত্র উঠে এসেছে।
প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা অর্জন তো দূরের কথা, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এক বছর আগের তুলনায় তৈরি পোশাক খাতের রফতানি আয় ১ দশমিক ৬৪ শতাংশ কমেছে। এমন পরিস্থিতির মধ্যেই বুধবার (৮ জুলাই) প্রকাশিত বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যানে দেখা যায়, বিদায়ী অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে (জুলাই-মে) তৈরি পোশাক শিল্পের জন্য প্রয়োজনীয় তুলা আমদানি হয়েছে ২৬৭ কোটি ৭৩ লাখ ডলারের। আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় যা ১৬ দশমিক ৫ শতাংশ কম।
একই সময়ে সুতা আমদানি ১২ দশমিক ২ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ২৯৫ কোটি ৩ লাখ ডলারে। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এই আমদানির পরিমাণ ছিল ৩৩৬ কোটি ৬ লাখ ডলার। টেক্সটাইল ও নিট-ওভেন শিল্পের কাঁচামাল আমদানিও কমেছে। গত অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে এসব পণ্য আমদানি হয়েছে ৮২১ কোটি ৬৮ লাখ ডলারের, যা আগের বছরের তুলনায় ২ দশমিক ৩ শতাংশ কম।
বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, অনেকদিন ধরেই তারা বলে আসছেন দেশে বিনিয়োগের পরিবেশ নেই। এর প্রধান কারণ জ্বালানি সংকট, ব্যাংকগুলোর অসহযোগিতা, কাস্টমস ও এনবিআরের বিভিন্ন নীতিগত জটিলতা এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি। এই চারটি কারণই বিনিয়োগে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, স্ট্যাপল ফাইবার আমদানি ৯ শতাংশ কমেছে। একই সঙ্গে ডাইং ও ট্যানিং ম্যাটারিয়ালসের আমদানিও ৬ দশমিক ৯ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। সময়