News update
  • PM Orders Study on Restoring Universal Stipends for Girls     |     
  • President urges KSA to make hajj more convenient for Bangladeshi pilgrims     |     
  • Second Teesta Bridge: Costly shortcut that heavy vehicles cannot take     |     
  • March in Stockholm for stronger climate action ahead of polls     |     
  • Dhaka ranks 18th in global air quality ranking Monday morning     |     

২০২৫-২৬ অর্থবছরে রেলের আয় বেড়েছে ২২১ কোটি টাকা

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক বানিজ্য 2026-07-20, 8:15am

img_20260720_081251-6e4407986405c182272999ba674d7dd11784513726.jpg




বাংলাদেশ রেলওয়ের আয় বেড়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে রেলওয়ে মোট ২ হাজার ৬৬ কোটি ৩৮ লাখ টাকা আয় করেছে। এর আগের ২০২৪-২৫ অর্থবছরে আয় হয়েছিল ১ হাজার ৮৪৫ কোটি টাকা। অর্থাৎ গেলো অর্থবছরে রেলওয়ের আয় তার আগের অর্থবছরের তুলনায় ২২১ কোটি টাকা বেড়েছে।

রোববার (১৯ জুলাই) বাংলাদেশ রেলওয়ের পরিচালক (জনসংযোগ) আনিসুর রহমানের পাঠানো এক বার্তায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নানা প্রতিকূলতা সত্ত্বেও বিভিন্ন উদ্যোগ ও প্রচেষ্টার ফলে গেলো অর্থবছরে রেলওয়ের আয় বৃদ্ধি পেয়েছে। সবচেয়ে বেশি আয় বেড়েছে যাত্রী খাতে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের তুলনায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরে যাত্রী খাতে আয় বেড়েছে ২৫৬ কোটি টাকা।

তবে ইঞ্জিনের অভাবে মালামাল পরিবহন খাতে আয় কমেছে ৮ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। এ ছাড়া ভূ-সম্পত্তি খাতে ৩ কোটি টাকা এবং রেলওয়ের অপটিক্যাল ফাইবার লিজ থেকে ১১ কোটি ৫২ লাখ টাকা বেশি আয় হয়েছে।

অন্যদিকে পরিবহন ও বাণিজ্যিক খাতে ভেন্ডিং লাইসেন্স ও বিবিধ আয়সহ মোট আয় কমেছে প্রায় ২৪ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। রেলওয়ের পরিচালন ব্যয় বেতন-ভাতা, পেনশন, রেলপথ ও রোলিং স্টক রক্ষণাবেক্ষণসহ—মোট ৩ হাজার ৯৫৫ কোটি টাকা। ফলে আয় ও ব্যয়ের অনুপাত দাঁড়িয়েছে ১ দশমিক ৯১। গত অর্থবছরে এ অনুপাত ছিল ২ দশমিক ০৯। অর্থাৎ রেলওয়ের আয় ও ব্যয়ের পার্থক্য কমেছে।

বার্তায় বলা হয়, তবে বাংলাদেশ রেলওয়ে প্রতিবছর প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা পেনশন খাতে ব্যয় করে, যা পরিচালন ব্যয় হিসেবে গণ্য করা সমীচীন নয়। পেনশন ব্যয় বাদ দিলে অপারেটিং রেশিও বা ব্যয় ও আয়ের অনুপাত দাঁড়ায় ১ দশমিক ৪৩। অর্থাৎ পেনশন ব্যতীত রেলওয়ে আয়ের চেয়ে ৪৩ শতাংশ বেশি ব্যয় করেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ রেলওয়ে একটি রাষ্ট্রীয় গণপরিবহন ব্যবস্থা। রেলওয়ের ভাড়া রেয়াতি হারে নির্ধারিত। ২০১৬ সালের পর থেকে এখন পর্যন্ত রেলভাড়া বৃদ্ধি করা হয়নি। এ সময়ে রেলওয়ের রক্ষণাবেক্ষণ কাজে ব্যবহৃত মালামাল, বিদেশ থেকে আমদানিকৃত পণ্য, ডলার রেটের কারণে ব্যয়, কর্মচারীদের বেতন-ভাতা, পেনশন এবং জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে।

বর্তমান ভাড়া গত ১০ বছরেও বৃদ্ধি করা হয়নি উল্লেখ করে বলা হয়, অন্যান্য পরিবহন মাধ্যম ও বাজারমূল্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে রেলভাড়া যৌক্তিক হারে নির্ধারণ করা হলে আয় ও ব্যয়ের পার্থক্য অনেক কমে আসবে।

এ কারণে বাংলাদেশ রেলওয়েকে লোকসানি প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিবেচনা করা সমীচীন নয় বলে বার্তায় উল্লেখ করা হয়েছে।