News update
  • Dhaka's air quality ‘moderate’ during Eid holiday     |     
  • Thousands of tourists flock to Kuakata during Eid festival     |     
  • 45th anniversary Ziaur Rahman's death Saturday     |     
  • India’s Muslims denied public spaces for Eid prayers     |     
  • China steps up efforts to protect rare golden monkeys at world heritage site     |     

ক্যামেরা থেকে ডোর লক, স্মার্ট হোম ডিভাইসে কতটা সুরক্ষিত ঘর?

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি 2026-05-30, 4:07pm

rtyt567567-026969b79a6b89623baf17b8202cdc581780135636.jpg




রিমোট বা সুইচের ব্যবহার এখন অনেকটাই কমে আসছে। এখন স্মার্টফোনের একটি ক্লিকেই জ্বলে উঠছে ঘরের বাতি, খুলছে সদর দরজা। ঘরের নিরাপত্তা ও আরাম বাড়াতে দেশে দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে ‘স্মার্ট হোম’ প্রযুক্তি। তবে ইন্টারনেটনির্ভর এই ডিভাইসগুলো যেমন জীবনকে সহজ করছে, তেমনি তৈরি করছে নতুন ধরনের সাইবার ঝুঁকিও। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অসচেতনতার কারণে স্মার্ট হোমই হ্যাকারদের জন্য সহজ প্রবেশদ্বার হয়ে উঠতে পারে।

স্মার্ট ক্যামেরা, স্মার্ট ডোর লক, ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্ট অ্যালেক্সা কিংবা গুগল হোম; আধুনিক ঘরের নিয়ন্ত্রণ এখন প্রযুক্তির হাতেই। কিন্তু এই সুবিধার আড়ালে লুকিয়ে আছে বড় ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকি। কারণ প্রতিটি ডিভাইস ইন্টারনেটের মাধ্যমে একটি কেন্দ্রীয় ক্লাউড সার্ভারের সঙ্গে সংযুক্ত থাকে। ফলে হ্যাকাররা ঘরে প্রবেশ না করেই যে কোনো সময় পুরো বাড়ির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিতে পারে।

সবচেয়ে বড় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে সিকিউরিটি ক্যামেরা হ্যাকিং নিয়ে। ঘরের ভেতরের ক্যামেরা হ্যাক করে ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও চুরি করা বা ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার ঘটনা এখন বিশ্বজুড়ে নিয়মিত ঘটছে। এমনকি স্মার্ট ডোর লক হ্যাক করে চোর বা অপরাধীরা সহজেই ঘরে প্রবেশের সুযোগ পেতে পারে। 

স্মার্ট স্পিকারও ঝুঁকিমুক্ত নয়। জানালার পাশে রাখা স্পিকারে বাইরে থেকে উচ্চস্বরে ভয়েস কমান্ড দিয়ে হ্যাকাররা ঘরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা বন্ধ করে দিতে পারে। এছাড়া নামহীন ও কমদামি ব্র্যান্ডের অনেক ডিভাইসে নিরাপত্তা ব্যবস্থা দুর্বল থাকায় সেগুলোকে ‘বটনেট’ হিসেবে ব্যবহার করে অন্যত্র বড় ধরনের সাইবার হামলাও চালানো হয়।

তবে প্রযুক্তিবিদরা বলছেন, কিছু সাধারণ নিয়ম মেনে চললে এসব ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব। ডিভাইস কেনার পরই ডিফল্ট পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করে শক্তিশালী ও জটিল পাসওয়ার্ড ব্যবহার করতে হবে। সংশ্লিষ্ট অ্যাপে টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন চালু রাখতে হবে। সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো, ঘরের মূল ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কের সঙ্গে স্মার্ট ডিভাইসগুলো যুক্ত না করে রাউটারে আলাদা একটি ‘গেস্ট নেটওয়ার্ক’ তৈরি করে সেখানে সংযুক্ত করা। পাশাপাশি নিয়মিত সফটওয়্যার আপডেট করাও অত্যন্ত জরুরি।

প্রযুক্তির সুবিধা গ্রহণের পাশাপাশি এর ঝুঁকির দিকেও সমানভাবে সতর্ক থাকতে হবে। ঘরের দরজায় যেমন তালা দিয়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়, তেমনি ডিজিটাল দরজাতেও শক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। তাহলেই পরিবার থাকবে নিরাপদ এবং ব্যক্তিগত গোপনীয়তাও সুরক্ষিত থাকবে।