News update
  • Dhaka’s air quality moderate on Sunday morning     |     
  • Special prayer held at DU on 45th death anniv of Ziaur Rahman     |     
  • 55-year-old dies in Chuadanga as fibrous mango bit blocks throat     |     
  • Dhaka's air quality ‘moderate’ during Eid holiday     |     
  • Thousands of tourists flock to Kuakata during Eid festival     |     

মিয়ানমারে গভীর রাতে ভূমিকম্প, অনুভূত বাংলাদেশেও

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক বিপর্যয় 2026-05-11, 6:08am

8e3e5b243c54b1af18323c9c80d04add980793b6ac250011-463c9a418e2b9b4c17ebce1da291449c1778458130.jpg




মিয়ানমারে ৫.০ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। বাংলাদেশে, বিশেষ করে চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায়ও কম্পন অনুভূত হয়েছে বলে জানা গেছে।

জার্মান রিসার্চ সেন্টার ফর জিওসায়েন্সেস জানিয়েছে, রোববার (১০ মে) গভীর রাতে (বাংলাদেশ সময় ১টা ৩৬ মিনিটে) এ ভূমিকম্প আঘাত হানে।

সংবাদ সংস্থা সিনহুয়া জানায়, ১০ কিলোমিটার গভীরে অবস্থিত ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থলটি প্রাথমিকভাবে ২০.৪৬ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ এবং ৯৩.৯৪ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে অবস্থিত বলে নির্ণয় করা হয়েছে।

মিয়ানমারে ভূমিকম্প নিয়ে সিনহুয়ার প্রতিবেদন।

মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস বলছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল মিয়ানমারের সিদোকতায়া থেকে ১১ কিলোমিটার দূরে।

তবে এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে আর বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি।

এর আগে, শনিবার (৯ মে) বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এদিন বিকেল ৩টা ১০ মিনিটের দিকে অনুভূত এই কম্পনে কোনো বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে আকস্মিক এই কম্পনে জনমনে সাময়িক আতঙ্ক সৃষ্টি হয়।

আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থার তথ্যমতে, ভূমিকম্পের মাত্রা ও উৎপত্তিস্থল নিয়ে সামান্য ভিন্নতা থাকলেও উত্তরবঙ্গের বেশ কিছু জেলা এটি বেশ ভালোভাবেই টের পেয়েছে।

ভারতের ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি জানিয়েছে, রিখটার স্কেলে কম্পনটির মাত্রা ছিল ৪.৫। অন্যদিকে, ইউএসজিএস এই মাত্রা ৪.৪ বলে উল্লেখ করেছে। বিকেল ৩টা ১০ মিনিটে (বাংলাদেশ সময়) এই ভূ-কম্পন অনুভূত হয়।

ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় ভূমিকম্প বিজ্ঞান কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল ছিল ভারতের আসামের বিলাসিপাড়া। ভূপৃষ্ঠ থেকে এর গভীরতা ছিল তুলনামূলক কম, যার ফলে সীমান্ত সংলগ্ন জেলাগুলোতে কম্পন তীব্রভাবে অনুভূত হয়েছে। 

শনিবারের ওই ভূমিকম্পের স্থায়িত্ব ছিল কয়েক সেকেন্ড, যা মূলত উত্তরবঙ্গের জেলাগুলোতে প্রভাব ফেলে। বিশেষ করে লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, রংপুর, দিনাজপুর, ময়মনসিংহ জেলার বিভিন্ন জায়গা থেকে স্থানীয়রা মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের ঝাঁকুনি টের পাওয়ার কথা জানান।