News update
  • Dhaka's air 5th worst in the world this morning     |     
  • Around 7,500 Bangladeshis imprisoned in Saudi Arabia: Shama Obaed     |     
  • Bangladesh Outperforms India in Global Hunger Index 2026     |     
  • Covered van hits Gazipur police patrol team, killing SI, BNP leader     |     
  • Korean City scrambles to rescue dusky shark after it returns to canal     |     

ভারতে বজ্রপাত ও ভারী বর্ষণে নিহত বেড়ে ১১১

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক বিপর্যয় 2026-05-15, 8:44am

gretertert-6b343d4cbb4a7861c55d270b951da5441778813084.jpg




ভারতের উত্তর প্রদেশে শক্তিশালী ঝড়, বজ্রপাত ও ভারী বর্ষণের তাণ্ডবে প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ১১১ জনে দাঁড়িয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যের ২৬টি জেলায় এই প্রাকৃতিক দুর্যোগ ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, নিহতের পাশাপাশি অন্তত ৭২ জন আহত হয়েছেন এবং বিপুল পরিমাণ গবাদি পশু ও ঘরবাড়ির ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। খবর দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস। 

রাজ্যের ত্রাণ কমিশনারের কার্যালয় জানিয়েছে, এবারের দুর্যোগে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রয়াগরাজ জেলা, যেখানে ২১ জন প্রাণ হারিয়েছেন। এছাড়া মির্জাপুরে ১৯ জন, ভাদোহিতে ১৬ জন ও ফতেহপুরে ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। অধিকাংশ প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে গাছ উপড়ে পড়া, দেয়াল ধসে পড়া ও বজ্রপাতের কারণে। ঝড়ের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে ভাদোহি ও মির্জাপুর এলাকায় পন্টুন ব্রিজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে গঙ্গার তীরবর্তী প্রায় ২০টি গ্রাম মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ জেলা প্রশাসনগুলোকে দ্রুত ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ করে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন। নিহতদের প্রত্যেকের পরিবারকে ৪ লাখ টাকা করে জরুরি আর্থিক সহায়তা প্রদানের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি গবাদি পশুর মৃত্যু ও ফসলের ক্ষতির জন্য দ্রুত ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ত্রাণ কমিশনারের দপ্তর থেকে প্রতি তিন ঘণ্টা অন্তর পরিস্থিতির আপডেট নেওয়া হচ্ছে।

ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তর (আইএমডি) জানিয়েছে, বায়ুমণ্ডলের নিম্নস্তরে ঘূর্ণিঝড় সঞ্চালন এবং পশ্চিমা লঘুচাপের সংমিশ্রণে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। অনেক এলাকায় ঝড়ের গতিবেগ ঘণ্টায় ১০০ কিলোমিটার ছাড়িয়ে গিয়েছিল, যা এই সময়ের জন্য অস্বাভাবিক।

আবহাওয়াবিদরা জানান, উত্তরপ্রদেশের কিছু অংশে এখনও সতর্কবার্তা বহাল রয়েছে। উদ্ধার অভিযান চলমান থাকায় ও অনেক প্রত্যন্ত অঞ্চলের তথ্য এখনও হাতে না পৌঁছানোয় প্রাণহানির সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।