News update
  • Bidisha Siddique Arrested in Fraud Case     |     
  • As wars spread, the global food system unravels     |     
  • Holy Eid-e-Miladunnabi Wednesday     |     
  • EU sees Bangladesh as partner of growing strategic importance: Miller     |     
  • Journalism’s main task is to question power: Swapon     |     

জোয়ারের পানিতে প্লাবিত সেন্টমার্টিন, আতঙ্কে দ্বীপবাসী

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক বিপর্যয় 2026-07-08, 9:35am

img_20260708_093509-908c0110ebc641d7c9145ca1bd38a9191783481732.jpg




টানা ভারী বর্ষণে দেশের একমাত্র প্রবালসমৃদ্ধ দ্বীপ সেন্টমার্টিনে জোয়ারের পানির উচ্চতা বেড়েছে। এতে দ্বীপের বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। উত্তাল বঙ্গোপসাগরের বড় বড় ঢেউ উপকূলে আছড়ে পড়ায় আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) নিয়ে টানা তিন দিন ধরে কক্সবাজার, টেকনাফ ও সেন্টমার্টিনে ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে। একই সঙ্গে উত্তর-পূর্ব দিক থেকে প্রবাহিত দমকা হাওয়ায় সাগর আরও উত্তাল হয়ে উঠেছে। মাঝেমধ্যে বাতাসের দিক পরিবর্তন হওয়ায় পরিস্থিতি আরও অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
স্থানীয়রা জানান, জোয়ারের পানির উচ্চতা বেড়ে যাওয়ায় দ্বীপের নিচু এলাকার অনেক বাড়িঘরে পানি ঢুকে পড়েছে। বৈরী আবহাওয়ার কারণে অধিকাংশ মানুষ ঘরেই অবস্থান করছেন। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কেউ বাইরে বের হচ্ছেন না। সাগর উত্তাল থাকায় মাছ ধরতে যেতে পারছেন না জেলেরা। এতে তাদের জীবিকাও ব্যাহত হচ্ছে।
সেন্টমার্টিন দ্বীপের স্থানীয় বাসিন্দা আবু তালেব জানান, টানা কয়েক দিনের ভারী বৃষ্টি ও উত্তাল সাগরের কারণে বঙ্গোপসাগরের পানির উচ্চতা আগের তুলনায় আনুমানিক ৪ থেকে ৫ ফুট বেড়েছে। বড় বড় ঢেউ একের পর এক দ্বীপের চারপাশে আছড়ে পড়ছে।
একই সঙ্গে ভারী বৃষ্টির পানিতে দ্বীপের বিভিন্ন নিচু এলাকা প্লাবিত হয়েছে। অনেক স্থানে হাঁটুসমান পানি জমে যাওয়ায় স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, বৈরী আবহাওয়ার কারণে অধিকাংশ বাসিন্দা নিজ নিজ ঘরে অবস্থান করছেন। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘরের বাইরে বের হচ্ছেন না।
সাগর উত্তাল থাকায় জেলেরাও মাছ ধরতে যেতে পারছেন না। দীর্ঘ সময় ধরে বৃষ্টি ও প্রতিকূল আবহাওয়া অব্যাহত থাকলে দ্বীপের বাসিন্দাদের দুর্ভোগ আরও বাড়তে পারে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
সেন্টমাটিন সাভিস ট্রলার সমবায় সমিতির সভাপতি আব্দুর রশিদ বলেন, গত বৃহস্পতিবার থেকে মঙ্গলবার বিকেল পর্যন্ত ট্রলার চলাচল বন্ধ রয়েছে। সতক সংকেত কেটে গেলে পুনরায় ট্রলার চলাচল শুরু হবে।
সেন্টমার্টিনের চেয়ারম্যান ফয়েজুল ইসলাম বলেন, দ্বীপে অনেক বাড়িঘর ডুবে গেছে। এছাড়া বৈরী আবহাওয়ার কারনে টেকনাফ-সেন্টমার্টিনে নৌযান চলাচল বন্ধ রয়েছে।  ফলে দ্বীপে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সংকট দেখা দিয়েছে।
টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস. এম. অনীক চৌধুরী জানান, ট্রলার চলাচল বন্ধ রয়েছে। টানা ভারী বৃষ্টির কারণে সেন্টমার্টিনে বঙ্গোপসাগরের পানির উচ্চতা বেড়েছে। বৈরী আবহাওয়া ও পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসন প্রয়োজনীয় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে এবং বাসিন্দাদের নিরাপদে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।