News update
  • PM Orders Study on Restoring Universal Stipends for Girls     |     
  • President urges KSA to make hajj more convenient for Bangladeshi pilgrims     |     
  • Second Teesta Bridge: Costly shortcut that heavy vehicles cannot take     |     
  • March in Stockholm for stronger climate action ahead of polls     |     
  • Dhaka ranks 18th in global air quality ranking Monday morning     |     

বন্যা-ভূমিধসে বিপর্যস্ত দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, মৃতের সংখ্যা ছাড়াল ৬০০

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক বিপর্যয় 2025-11-30, 8:45am

img_20251130_084256-a5030fb6fd17aaacf887a8d543248c151764470717.jpg




ঘূর্ণিঝড় ও এর প্রভাবে টানা প্রবল বর্ষণে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিশাল অঞ্চল এখন চরম বিপর্যয়ের মুখে। মৌসুমি বৃষ্টি ও একের পর এক ঝড়ের আঘাতে ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কায় কয়েক বছরের মধ্যে সবচেয়ে মারাত্মক বন্যা দেখা দিয়েছে। এতে এখন পর্যন্ত প্রায় ৬০০ মানুষের মৃত্যু হয়েছে এবং নিখোঁজ রয়েছেন আরও শত শত মানুষ।

শনিবার (২৯ নভেম্বর) ইন্দোনেশিয়ার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার প্রধান সুহারিয়ান্তো জানান, শুধু ইন্দোনেশিয়াতেই মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩০৩ জনে এবং এই ভয়াবহ দুর্যোগে এখনও প্রায় ৩০০ জন নিখোঁজ রয়েছেন।

সুহারিয়ান্তো সাংবাদিকদের জানান, শনিবার সকালের দিকেও ইন্দোনেশিয়ায় মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ১৭৪, যা দিন শেষে ৩০৩ জনে দাঁড়ায়। একইসঙ্গে ৮০ হাজারের বেশি মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

গত এক সপ্তাহ ধরে ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে টানা প্রবল বর্ষণে ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, শ্রীলঙ্কা ও থাইল্যান্ডের বিশাল অঞ্চল বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। এর মাঝেই মালাক্কা প্রণালিতে বিরল এক ক্রান্তীয় ঝড়ও তৈরি হয়েছে।

মালাক্কা প্রণালির ওপারে থাইল্যান্ডেও এই দুর্যোগের প্রভাব ভয়াবহ। সরকারের মুখপাত্র সিরিপং আংকাসাকুলকিয়াত শনিবার বলেছেন, বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৬২ জনে পৌঁছেছে, যা আগে ১৪৫ ছিল। এছাড়া স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে শ্রীলঙ্কায়ও ১৩০ জনের বেশি নিহত এবং ১৭০ জনের মতো নিখোঁজ রয়েছেন। সেখানে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। এদিকে পার্শ্ববর্তী মালয়েশিয়ার উত্তরের পেরলিস প্রদেশসহ বহু এলাকা পানির নিচে রয়েছে এবং সেখানেও দুইজনের মৃত্যু হয়েছে।

এই দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন লাখো মানুষ। নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা বেশি হওয়ায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।