News update
  • PM Orders Study on Restoring Universal Stipends for Girls     |     
  • President urges KSA to make hajj more convenient for Bangladeshi pilgrims     |     
  • Second Teesta Bridge: Costly shortcut that heavy vehicles cannot take     |     
  • March in Stockholm for stronger climate action ahead of polls     |     
  • Dhaka ranks 18th in global air quality ranking Monday morning     |     

চায়ের আড্ডায় জাইমা রহমান, শুনলেন যুবসমাজের স্বপ্ন-সমস্যা

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক বিবিধ 2026-02-03, 8:15am

img_20260203_081243-30a47d5d2afe6c7affc4e11edfcdf4481770084912.jpg




ব্যতিক্রমধর্মী এক চায়ের আড্ডায় তরুণ-যুবকদের মুখোমুখি হন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। দেশের যুবসমাজের ভাবনা, সমস্যা ও স্বপ্ন—সব মিলিয়ে ছিল খোলামেলা আলোচনা।

সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বনানী ডিওএইচএস খেলার মাঠে এ আড্ডার আয়োজন করা হয়।

চায়ের কাপে চুমুক দিতে দিতে জাইমা রহমান স্পষ্ট করেই বলেন, দেশের উন্নয়নে সব মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা জরুরি। তরুণরা যেন দেশের গঠনমূলক কাজে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হতে পারে, সেজন্য একটি কমন প্ল্যাটফর্ম থাকা প্রয়োজন। বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কনটেন্ট জেনারেশন টিমের উদ্যোগেই এই আড্ডার আয়োজন।

অনলাইন দুনিয়ার অন্ধকার দিক নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন জাইমা রহমান। সাইবার বুলিং প্রসঙ্গে জাইমা বলেন, শুধু আইন করলেই হবে না, তার কার্যকর প্রয়োগ দরকার। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর কার্যালয় যদি বাংলাদেশে থাকতো, তাহলে সমস্যার সমাধান অনেকটাই সহজ হতো—এমন মতও তুলে ধরেন তিনি।

আড্ডায় অংশ নেওয়া বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা রাজধানীর বায়ুদূষণ, যানজট, কর্মসংস্থানের সংকটসহ নানান নাগরিক সমস্যার কথা তুলে ধরেন। জাইমা রহমান বলেন, এসব সমস্যা সমাধানে তরুণদের কণ্ঠকে গুরুত্ব দেওয়া জরুরি।

শিক্ষা ব্যবস্থার প্রসঙ্গে তিনি জানান, প্রাথমিক স্তর থেকেই পরিকল্পিত পদক্ষেপ নেওয়া গেলে শহর ও গ্রামের শিক্ষার বৈষম্য কমানো সম্ভব। পাশাপাশি উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে মূল কারিকুলামের বাইরে ব্যবহারিক কার্যক্রম ও সহশিক্ষা ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেন তিনি।

তরুণদের উদ্যম ও দেশপ্রেমকে ইতিবাচকভাবে দেখার আহ্বান জানিয়ে জাইমা রহমান বলেন, দেশের উন্নয়নে সক্রিয় অংশগ্রহণের জন্য এমন প্ল্যাটফর্ম গড়ে তুলতে হবে, যেখানে সব মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত হবে।

চায়ের আড্ডার শেষ পর্বে ভবিষ্যতে এ ধরনের আরও আড্ডায় অংশ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন জাইমা রহমান। তরুণদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ এবং তাদের সমস্যার কথা শোনার একটি কার্যকর মঞ্চ হিসেবে এই আয়োজন বিশেষ গুরুত্ব পায়।

এ সময় তিনি তরুণ-তরুণীদের সঙ্গে একসঙ্গে চা, চটপটি, জিলাপি ও ঝালমুড়ি উপভোগ করেন, যা আয়োজনটিকে আরও প্রাণবন্ত ও আন্তরিক করে তোলে।