News update
  • PM arrives in New York to attend 81st UNGA session     |     
  • Jatri Kalyan Samity urges withdrawal of increased fuel prices     |     
  • Global Diesel Shortage Likely to Persist Into 2027     |     
  • PM to Present Bangladesh Vision at UNGA: Mahdi     |     
  • LDC graduation must strengthen, not constrain development: Titumir     |     

অবৈধভাবে সরকারি খালের মাটি কেটে নেয়ায় ভেঙে পড়েছে পিচঢালা সড়ক

ভূমি 2024-11-04, 12:22am

A paved road has caved in due to illegal sand extraction from a government canal in Kalapara.



পটুয়াখালী: পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় সরকারি খাল থেকে অবৈধভাবে মাটি কেটে ইটভাটায় বিক্রি করার ফলে একটি জন গুরুত্বপূর্ণ  পিচঢালা সড়ক  ভেঙে পড়েছে। এছাড়া ভাঙ্গনের অপেক্ষায় রয়েছে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক।

স্থানীয়রা জানান, গত বছর সরকারী খাল থেকে মাটি বিক্রির পর মাছ চাষ করে সানী এবং ফেরদাউস নামের দুই প্রভাবশালী। তবে লেনদেন নিয়ে তাদের বিরোধ থাকায় গত কদিন ধরে বাঁধ দেওয়া খালের পানি সেচ করে মাছ ধরে নিয়ে যায় ফেরদাউস। কিন্তু গতকাল স্থানীয়রা সড়কে ফাটল দেখে  পানি সেচে বাঁধা দেয়। তাদের কথা না শুনে পুনরায় সেচ করলে প্রায় ২' শত ৫০ ফুট দৈর্ঘ্য, ১০ ফুট উচ্চতা নিয়ে খালের মধ্যে পিসঢালা  সড়কটি ভেঙ্গে পড়ে।

স্হানীয় মো: মাহবুব মিয়া বলেন, রাত তিনটার দিকে একটা শব্দ পাই এখানে এসে দেখি রাস্তাসহ বিশাল এলাকা নিয়ে খালের মধ্যে ভেঙ্গে পড়ে গেছে। আরও অনেকখানি নিয়ে ফাটল ধরছে। তাও যেকোন সময় ভেঙ্গে পড়তে পারে। আমরা এই খালের পাড়ের অনেকগুলো পরিবার আতঙ্কে আছি। খাল থেকে মাটি কেটে নেয়া ও পানি সেচের কারনেই এটা হয়েছে। আমরা গ্রামবাসী এর প্রতিকার চাই। 

এ ব্যাপারে ফেরদৌস বলেন, আমি ঢাকায় আছি। আমি সানীর কাছে টাকা পাবো। তাই আমার লোকজন দিয়ে ওই খালের মাছ ধরিয়েছি। তবে এর কারনে রাস্তা ভাংছে কিনা, তা আমি জানিনা।

 সানীর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, আমি ওকে বলছি এ খালের পানি সেচ করলে রাস্তা ভেঙ্গে পরতে পারে, তারপরও ও আমার কথা না শুনে পানি সেচ করে মাছ ধরেছে। এ রাস্তা ভেঙ্গে পড়ার জন্য দায়ী ফেরদৌস। 

কলাপাড়া সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. কৌশিক আহমেদ বলেন, আমি এখানে এসে দেখি অবৈধভাবে সরকারি খালের মাটি কেটে নেয়ায় এ সড়কের প্রায় ৫০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। এদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। - গোফরান পলাশ