News update
  • Ensure no fascist force can ever use police against people: PM     |     
  • 5 BNP, Jamaat men held in Kushtia for seeing drug dealer’s release     |     
  • Japan views Bangladesh as key dev partner: Jamaat Ameer     |     
  • Credit cards emerge as a financial lifeline for middle-class     |     
  • Call for a radical shift to solar, LNG to overcome energy crisis     |     

শ্রবণ ও বাক প্রতিবন্ধীদের ১৫ দফা, পৃথক মন্ত্রণালয় দাবি

স্টাফ করেস্পন্ডেন্ট মানবাধিকার 2026-05-10, 2:28pm

dc2c96b0-a87e-4ee7-b9e2-b348d-d502205bcf49f19651a38394030615951778401693.jpg




আজ ঢাকায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে কয়েকশ’ শ্রবণ ও বাক প্রতিবন্ধী মানুষ এক বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশে অংশ নেন। জাতীয় পতাকা ও ব্যানার হাতে তারা ‘জাতীয় বধির ঐক্য পরিষদ’-এর ব্যানারে দীর্ঘদিনের দাবি-দাওয়া তুলে ধরেন।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, রাষ্ট্রীয় নীতি ও কাঠামোগত সীমাবদ্ধতার কারণে তারা শিক্ষা, কর্মসংস্থান, স্বাস্থ্যসেবা ও সামাজিক নিরাপত্তা থেকে পিছিয়ে রয়েছেন। তাই ১৫ দফা দাবি বাস্তবায়ন এখন সময়ের দাবি।

তাদের দাবির মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো প্রতিবন্ধী সুরক্ষা আইনে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ‘Deaf’ শব্দের ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং আইনি সহায়তা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে করা। তারা বলেন, অনেক সময় আইনি লড়াইয়ে যথাযথ সহায়তা না পাওয়ায় তারা ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হন।

রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্বের বিষয়ে তারা জাতীয় সংসদে প্রতিবন্ধীদের জন্য সংরক্ষিত আসনের দাবি জানান। একই সঙ্গে শিক্ষা, প্রশাসন ও নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে তাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়।

সমাবেশে আরও বলা হয়, বাংলা ইশারা ভাষার উন্নয়নের জন্য একটি স্বতন্ত্র একাডেমি গঠন করা জরুরি। পাশাপাশি প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক পর্যায়ের পাঠ্যক্রমে ইশারা ভাষা অন্তর্ভুক্ত করা এবং শিক্ষক প্রশিক্ষণে এটি বাধ্যতামূলক করার দাবি ওঠে।

অর্থনৈতিক নিরাপত্তার বিষয়ে তারা মাসিক ভাতা বৃদ্ধি, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য সুদমুক্ত ঋণ এবং সরকারি-বেসরকারি চাকরিতে কোটা নিশ্চিত করার দাবি জানান। বেসরকারি খাতে ন্যূনতম ১০ শতাংশ চাকরির সুযোগ রাখার প্রস্তাবও রাখেন তারা।

আবাসন সংকট নিরসনে আশ্রয়ণ প্রকল্পের আওতায় ভূমিহীন প্রতিবন্ধীদের জন্য ঘর বরাদ্দ এবং জমি নিবন্ধনে বিশেষ ছাড়ের দাবি জানানো হয়। এছাড়া বিদ্যুৎ, পানি ও গ্যাস ব্যবহারে ভর্তুকি প্রদানের আহ্বান জানান তারা।

জরুরি সেবায় যোগাযোগ সহজ করতে ভিডিও কল ও এসএমএসভিত্তিক জাতীয় ব্যবস্থা চালুর প্রস্তাব দেওয়া হয়, যাতে তারা দ্রুত পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও অ্যাম্বুলেন্স সেবা নিতে পারেন।

পরিবহন সুবিধায় হাফ ভাড়া কার্যকর করা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রতিবন্ধী পরিবারের সন্তানদের জন্য বিশেষ ছাড়ের দাবি জানানো হয়। পাবলিক পরীক্ষায় নম্বর নির্ধারণে নমনীয় নীতিরও আহ্বান আসে।

সুলতান মাহমুদ রাতুলের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত এই বিক্ষোভ থেকে বক্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যদি দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই ১৫ দফা দাবি মেনে নেওয়া না হয়, তবে তারা আরও কঠোর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবেন। তারা প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জীবন সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করতে প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।