News update
  • Integrated Ganges Management Will Save River, Benefit People     |     
  • Net FDI in Bangladesh jumps 39.36% to $1.77 billion in 2025     |     
  • Bangladesh, US sign energy cooperation MoU in Washington     |     
  • UNAIDS Warns HIV Services Face Crisis Amid Funding Cuts     |     
  • Central Bank approves liquidation of 5 ailing NBFIs from July     |     

পেন্টাগন:প্রতিরক্ষামন্ত্রী অস্টিনকে প্রোস্টেট ক্যান্সারের চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক মিডিয়া 2024-01-10, 11:27am

ap23326519916323-26b1f7b5a17e1aba5ed54b63738f40531704864466.jpg




পেন্টাগন স্বীকার করলো যে প্রতিরক্ষা মন্ত্রী লয়েড অস্টিনকে প্রোস্টেট ক্যান্সারের জন্য চিকিত্সা করা হয়েছে এবং প্রস্রাবের রাস্তায় কিছু জটিলতার জন্য তাঁকে সম্প্রতি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এই বিবৃতির ঠিক একদিন আগে হোয়াইট হাউস ও পেন্টাগন উভয়ই জানায় যে গত সপ্তাহে অস্টিন কি পরিস্থিতির কারণে হাসপাতালে ভর্তি হন তারা সেটি পর্যালোচনা করে দেখছে। অস্টিন যে তাঁর দায়িত্ব তার ডেপুটির কাছে হস্তান্তর করেন সে সম্পর্কে হোয়াইট হাউজের কর্মকর্তাদের জানানো হয়নি।

যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিলের মুখপাত্র জন কার্বি সংবাদদাতাদের বলেন যে এই পর্যালোচনায় এটা পরীক্ষা করে দেখা হবে কি ধরণের নিয়মাবলী ও পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়নি যাতে করে তারা “ এই অভিজ্ঞতা থেকে শেখোর চেষ্টা করতে পারেন।”

সোমবার রাতে প্রকাশিত পেন্টাগনের একটি মেমোতে বলা হয়েছে যে প্রতিরক্ষা দফতর ৩০ দিনের ঘটনা পর্যালোচনা করে দেখবে। অস্টিনের হাসপাতালে ভর্তির সময় থেকে ঘটনাবলীর ও এ ব্যাপারে অবগত করার সময়, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী কবে থেকে তাঁর দায়িত্ব পালনে অক্ষম সেই প্রক্রিয়া এবং শীর্ষ নেতাদের অবগত করানোর প্রক্রিয়াটি উন্নত করার সুপারিশসমূহ এই পর্যালোচনার অন্তর্ভুক্ত থকবে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বাহিনীর কমান্ডের ধারাবাহিকতায় অস্টিনের অবস্থান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের পরেই। পেন্টাগনের প্রেস সচিব মেজর জেনারেল প্যাট্রিক রাইডার বলেন অস্টিনের হাসপাতালে থাকার কারণে “ কোন সময়ই জাতীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা কোন সমস্যার সম্মুখীন হয় যদ্ওি হাসপাতালে থাকার কিছু সময়ের জন্য তার দায়িত্ব ডেপুটি প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ক্যাথলিন হিক্স’এর কাছে হস্তান্তর করা হয়।

মুখপাত্রটি বলেন অস্টিনের , “ পদত্যাগের কোন পরিকল্পনা নেই।” ভয়েস অফ আমেরিকা।