News update
  • People positive on Padma Barrage, experts urge caution over fallout     |     
  • Parties convey their expectations at Bonn climate talks     |     
  • ECNEC Approves 8 Projects Worth Tk 2,266 Crore     |     
  • No Plan to Drop Bangla, History from Honours: Milon     |     
  • Global turmoil shadows Bonn climate talks     |     

আইপিএল থেকে বাদ মুস্তাফিজ, ৯.২০ কোটির কী হবে

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক রাজনীতি 2026-01-03, 5:24pm

erterterte-8d6d280f6635db4170ea77bc8dc5b2341767439473.jpg




আইপিএলের নতুন মৌসুম শুরুর আগে অদ্ভুত পরিস্থিতির মুখে পড়েছে কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর)। ভারতের কয়েকটি কট্টর হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের হুমকির প্রেক্ষিতে বাংলাদেশি পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে দলে না রাখতে ভারতীয় ক্রিকেট নিয়ন্ত্রণ বোর্ড (বিসিসিআই) নির্দেশনা দেয়। সেই নির্দেশনার ভিত্তিতেই মুস্তাফিজকে ছেড়ে দিয়েছে শাহরুখ খানের মালিকানাধীন ফ্র্যাঞ্চাইজিটি।

সম্প্রতি আইপিএল নিলামে চেন্নাই সুপার কিংসের সঙ্গে তুমুল লড়াইয়ের পর ৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে মুস্তাফিজকে দলে ভিড়িয়েছিল কলকাতা। তবে একটি বলও না করেই নতুন মৌসুমে গুরুত্বপূর্ণ এই বিদেশি পেসারকে হারাতে হলো দলটিকে।

আইপিএল নিলামের নিয়ম অনুযায়ী, কোনো খেলোয়াড় কেনার পর ফ্র্যাঞ্চাইজির পার্স সাধারণত লকড হয়ে যায়। কিন্তু মুস্তাফিজের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি ভিন্ন। তিনি নিজে সরে দাঁড়াননি কিংবা ইনজুরিতেও পড়েননি। বরং কূটনৈতিক ও নিরাপত্তাজনিত কারণে বিসিসিআই সরাসরি তাকে ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে।

লিগের অপারেশনাল গাইডলাইন অনুযায়ী, ক্রিকেটের বাইরের কোনো কারণে বিসিসিআই যদি খেলোয়াড় প্রত্যাহারের নির্দেশ দেয়, সে ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ফ্র্যাঞ্চাইজি সাধারণত ওই খেলোয়াড়ের জন্য ব্যয় করা সম্পূর্ণ নিলামমূল্য ফেরত পাওয়ার অধিকার রাখে। ফলে কলকাতা নাইট রাইডার্স তাদের খরচ করা ৯ কোটি ২০ লাখ রুপি ফেরত পাওয়ার যৌক্তিক দাবি করতে পারে।

এই পরিস্থিতিকে মূলত ‘ফোর্স মাজর’ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে—চুক্তির এমন একটি ধারা, যেখানে নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকা কোনো ঘটনায় চুক্তি কার্যকর রাখা সম্ভব হয় না। বিসিসিআইয়ের নির্দেশনায় মুস্তাফিজ আইপিএল থেকে বাদ পড়ায় তার সঙ্গে চুক্তি বাস্তবায়নের দায় কলকাতার ওপর বর্তায় না।

তবে ভবিষ্যতে যদি মুস্তাফিজ কলকাতা বা বিসিসিআইয়ের কাছে কোনো ক্ষতিপূরণ দাবি করেন, তাহলে বিষয়টি জটিল আইনি বিতর্কে রূপ নিতে পারে। এই অর্থ ফেরত পাওয়া কলকাতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এতে রেজিস্টার্ড অ্যাভেইলেবল প্লেয়ার পুল (আরএপিপি) কিংবা রিপ্লেসমেন্ট ড্রাফট থেকে পূর্ণ আর্থিক সক্ষমতা নিয়ে বিকল্প খেলোয়াড় খোঁজার সুযোগ থাকবে। অর্থ ফেরত না পেলে এমন একটি পরিস্থিতির মাশুল গুনতে হবে কলকাতাকে, যার পেছনে তাদের কোনো ভূমিকা নেই।

বিষয়টি নিয়ে বিসিসিআই কিছুটা নমনীয়তার ইঙ্গিত দিয়েছে। বোর্ডের সেক্রেটারি দেবজিৎ সাইকিয়া জানিয়েছেন, কলকাতাকে একজন বদলি বিদেশি খেলোয়াড় নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে। তবে অর্থ ফেরতের প্রক্রিয়া ও সময়সূচি সম্পর্কে নির্দিষ্ট করে কিছু জানাননি তিনি।

এদিকে এক বিবৃতিতে কলকাতা নাইট রাইডার্স জানিয়েছে, বিসিসিআইয়ের নির্দেশনা অনুসারে সকল প্রক্রিয়া ও অভ্যন্তরীণ পরামর্শের পর মুস্তাফিজুর রহমানকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। আইপিএলের নীতিমালা অনুযায়ী বদলি খেলোয়াড় নেওয়ার অনুমোদনও দেওয়া হয়েছে। শিগগিরই এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।

তবে অর্থ ফেরত পেলেও ডেথ ওভারের বিশেষজ্ঞ হিসেবে মুস্তাফিজের মতো সমমানের বোলার খুঁজে পাওয়া কলকাতার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।