News update
  • Heart Disease Linked to 777 Daily Deaths in Bangladesh     |     
  • US Tech Firms Eye Over $1b Investment in Bangladesh     |     
  • Dhaka ranks 6th globally in air pollution on Tuesday     |     
  • Netanyahu Secretly Visits UAE Amid Rising Regional Tensions     |     
  • Ambassadors meet as West Bank tensions rise, Gaza plan stalls     |     

রাতে কোন রোগের উপসর্গ বাড়ে?

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক রোগবালাই 2026-05-16, 7:49am

89b52b5ee39a8ba7163e40c8d959f693ec70ea32195a7303-a10ae79a93f8781ca41d84175899949b1778896197.jpg




রাতে শরীর বিশ্রামের অবস্থায় গেলেও কিছু রোগের উপসর্গ এ সময় বেশি তীব্র হয়ে ওঠে। হরমোনের পরিবর্তন, শুয়ে থাকার ভঙ্গি, ঠান্ডা পরিবেশ বা শরীরের অভ্যন্তরীণ জৈবঘড়ির কারণে এমনটি হতে পারে।

দেখে নিন রাতে যেসব রোগের উপসর্গ বাড়তে পারে

১. অ্যাজমা বা হাঁপানি: রাতে শ্বাসনালী সংকুচিত হওয়ার কারণে কাশি, শ্বাসকষ্ট ও বুক চাপ লাগা বাড়তে পারে। অনেকের মাঝরাতে হাঁপানির অ্যাটাকও হয়।

২. অ্যাসিডিটি ও গ্যাস্ট্রিক: খাওয়ার পর শুয়ে পড়লে পাকস্থলীর অ্যাসিড ওপরে উঠে বুকজ্বালা, টক ঢেকুর ও গলা জ্বালাপোড়া বাড়াতে পারে।

৩. সাইনাস ও অ্যালার্জি: রাতে নাক বন্ধ, হাঁচি বা কাশি বাড়ে। শোয়ার সময় শ্লেষ্মা জমে থাকায় সমস্যা বেশি অনুভূত হয়।

৪. আর্থ্রাইটিস বা জয়েন্টের ব্যথা: রাতে দীর্ঘ সময় একই ভঙ্গিতে থাকার কারণে জয়েন্ট শক্ত হয়ে ব্যথা বাড়তে পারে।

৫. হৃদ্‌রোগের কিছু উপসর্গ: কিছু মানুষের রাতে বুক ধড়ফড়, বুকব্যথা বা শ্বাসকষ্ট বাড়তে পারে। বিশেষ করে হার্ট ফেইলিউর থাকলে শুয়ে থাকলে শ্বাস নিতে কষ্ট হয়।

৬. উদ্বেগ ও প্যানিক অ্যাটাক: রাতের নীরব পরিবেশে দুশ্চিন্তা বেশি অনুভূত হতে পারে। ফলে বুক ধড়ফড়, অস্থিরতা ও ঘুমের সমস্যা বাড়ে।

৭. ডায়াবেটিসের সমস্যা: রাতে রক্তে শর্করা কমে গেলে ঘাম, কাঁপুনি, দুর্বলতা বা অস্বস্তি দেখা দিতে পারে।

৮. ত্বকের চুলকানি: একজিমা বা অ্যালার্জির চুলকানি রাতে বেশি হতে পারে, কারণ রাতে ত্বকের তাপমাত্রা কিছুটা বাড়ে।

কখন সতর্ক হবেন?

যদি রাতে নিয়মিত— শ্বাসকষ্ট হয়, বুকব্যথা হয়, তীব্র কাশি থাকে, ঘুম ভেঙে যায়, অতিরিক্ত ঘাম বা মাথা ঘোরা হয়।

রাতে উপসর্গ কমাতে করণীয়

১. ঘুমানোর ২–৩ ঘণ্টা আগে রাতের খাবার শেষ করুন

২. অতিরিক্ত চা-কফি ও ভাজাপোড়া এড়িয়ে চলুন

৩. নিয়মিত ঘুমের অভ্যাস গড়ে তুলুন

৪. বালিশ সামান্য উঁচু করে ঘুমান

৫. চিকিৎসকের দেয়া ওষুধ নিয়মিত সেবন করুন