News update
  • EC Plans First-Phase Elections in 1,050 Union Parishads     |     
  • Rohingya crisis now a security concern for Bangladesh: Shama     |     
  • Hasina Is a Convict, Legal Steps Underway to Bring Her Back     |     
  • Nearly 300 families perish in road crashes in 6 years 10 months: RSF     |     
  • Earth Gets a Tiny New Mini-Moon Until December     |     

ফ্রান্সে ব্যাপক সহিংসতার পর চাপে ম্যাক্রোঁ সরকার

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক সংঘাত 2026-10-19, 2:45pm

852907131_1587442379801350_4659667812382963085_n_1_0-e4731926cd3b8279b2717a5882f8118a1792399545.jpg




ফ্রান্সজুড়ে ব্যাপক সহিংসতা ও লুটপাটের ঘটনায় চাপে পড়েছে প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর সরকার। পরিস্থিতি পর্যালোচনা ও পরবর্তী করণীয় নির্ধারণে স্থানীয় সময় সোমবার (১৯ অক্টােবর) জরুরি মন্ত্রিসভা বৈঠক ডেকেছেন প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়ান লেকর্নু। খবর বিবিসির। 

শনিবার (১৭ অক্টােবর) জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং সরকারি সেবার মান কমে যাওয়ার প্রতিবাদে দেশজুড়ে পাঁচ লাখের বেশি মানুষ বিক্ষোভ করেন। শুরুতে শান্তিপূর্ণ থাকলেও পরে মুখোশধারী কয়েকটি গোষ্ঠীর সহিংসতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। প্রায় ১ হাজার ৫০০ দোকান ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান লুটপাট বা ভাঙচুরের শিকার হয়েছে। পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ও জলকামান ব্যবহার করে। সংঘর্ষে প্রায় এক হাজার পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন, তাদের মধ্যে সাতজনের অবস্থা গুরুতর। 

সহিংসতা ঠেকাতে কারফিউ বা জরুরি অবস্থা জারির গুঞ্জন থাকলেও শেষ পর্যন্ত রোববার (১৮ অক্টােবর) টেলিভিশনে দেওয়া ভাষণে জাতীয় ঐক্যের আহ্বান জানান ম্যাক্রোঁ। একই সঙ্গে সহিংসতায় জড়িতদের বিচারের মুখোমুখি করার আশ্বাস দেন তিনি। তবে সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপের ঘোষণা না থাকায় বিরোধী রাজনীতিক ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার বক্তব্যের সমালোচনা হয়েছে।

বিক্ষোভকারীদের দাবি, জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো, শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়ন এবং সরকারি সেবার মান নিশ্চিত করা। দেশটির শ্রমিক সংগঠন সিজিটির মহাসচিব সোফি বেনে অভিযোগ করেছেন, ম্যাক্রোঁ শিক্ষার্থীদের উদ্বেগ ও জীবনযাত্রার সংকট মোকাবিলায় কার্যকর উদ্যোগের কথা বলেননি। অন্যদিকে পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষের প্রেসিডেন্ট ইয়েল ব্রাউন-পিভে সহিংসতার কারণ ও পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন।

সহিংসতা নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে পাল্টাপাল্টি অভিযোগও চলছে। ম্যাক্রোঁ ও প্রধানমন্ত্রী লেকর্নু কট্টর বামপন্থী গোষ্ঠী ও অপরাধীদের দায়ী করেছেন। বামপন্থী নেতা জ্যঁ-লুক মেলঁশোঁ সরকারের অদক্ষতার সমালোচনা করেছেন। অন্যদিকে ডানপন্থী নেতা মেরিন লে পেনের অভিযোগ, ম্যাক্রোঁর সরকার দিশাহীন হয়ে পড়েছে।

রাজনৈতিক অস্থিরতার পাশাপাশি ফ্রান্সের অর্থনৈতিক সংকটও পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলেছে। সরকারি ঋণ নিয়ন্ত্রণে ব্যয় কমানোর চাপ থাকলেও জনসেবা ও কল্যাণ খাতে কাটছাঁট করলে নতুন করে বিক্ষোভ বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছে সরকার।

আগামী ৫ নভেম্বর শ্রমিক সংগঠন ও ‘ইয়েলো ভেস্ট’ আন্দোলনের বিভিন্ন গোষ্ঠী বড় বিক্ষোভের ঘোষণা দিয়েছে। এর আগে শিক্ষার্থীদের ছুটির সময়ে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত থাকবে বলে আশা করছে কর্তৃপক্ষ। তবে আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকেরা।