News update
  • PM Orders Study on Restoring Universal Stipends for Girls     |     
  • President urges KSA to make hajj more convenient for Bangladeshi pilgrims     |     
  • Second Teesta Bridge: Costly shortcut that heavy vehicles cannot take     |     
  • March in Stockholm for stronger climate action ahead of polls     |     
  • Dhaka ranks 18th in global air quality ranking Monday morning     |     

যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিনিধি পরিষদের ভোটে কাটল দীর্ঘতম ‘শাটডাউন’

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক সংঘাত 2025-11-13, 10:15am

56y56345345-6bca27b7225ccc1cfe136a432d39efb11763007307.jpg




যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে দীর্ঘতম সরকারি অচলাবস্থা (গভর্নমেন্ট শাটডাউন) ৪৩ দিন পর শেষ হয়েছে। রিপাবলিকান নিয়ন্ত্রিত হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভসে (প্রতিনিধি পরিষদ) পাস হওয়া অর্থায়ন প্যাকেজটি অনুমোদন করায় এই অচলাবস্থার অবসান ঘটে। এর মধ্য দিয়ে ওয়াশিংটন ডিসি স্বাভাবিক কার্যক্রমে ফিরতে চলেছে। একই সঙ্গে কয়েক লাখ কর্মী তাদের বকেয়া বেতন পাবেন। খবর বার্তা সংস্থা এএফপির। 

স্থানীয় সময় বুধবার (১২ নভেম্বর) রাতে প্রতিনিধি পরিষদে ভোটের মাধ্যমে বাজেট বিল পাস হয়। এই চুক্তিটি মূলত সিনেটের আটজন মধ্যপন্থি ডেমোক্র্যাট সিনেটর ও রিপাবলিকানদের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে চূড়ান্ত হয়। ডেমোক্র্যাটরা দলের কড়া অবস্থান থেকে সরে আসেন। ফলে অনেক ডেমোক্র্যাট নেতা তাদের দলের শীর্ষ নেতাদের এই চুক্তিকে ‘আত্মসমর্পণ’ হিসেবে দেখছেন।

হাউস স্পিকার মাইক জনসন এই অচলাবস্থার জন্য ডেমোক্র্যাটদের দায়ী করে বলেন, এই প্রক্রিয়াটি ছিল ‘অর্থহীন’ এবং ‘নিষ্ঠুর’।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্থানীয় সময় বুধবার সন্ধ্যায় বিলটিতে স্বাক্ষর করার কথা রয়েছে। এই প্যাকেজটি সামরিক নির্মাণ, কৃষি বিভাগ ও কংগ্রেসের নিজস্ব অর্থায়ন আগামী শরৎ পর্যন্ত নিশ্চিত করবে এবং সরকারের বাকি অংশকে জানুয়ারি মাস শেষ হওয়া পর্যন্ত অর্থায়ন দেবে।

এই বিল পাসের ফলে প্রায় ৬ লাখ ৭০ হাজার ছুটি কাটানো সরকারি কর্মচারী কাজে ফিরবেন। এছাড়া, এয়ার ট্র্যাফিক কন্ট্রোলারসহ যে লাখ লাখ কর্মী বিনা বেতনে কাজ করছিলেন, তারা তাদের বকেয়া বেতন ফিরে পাবেন। অচলাবস্থার কারণে কংগ্রেসনাল বাজেট অফিসের (সিবিও) অনুমান অনুযায়ী প্রায় ১৪ বিলিয়ন ডলার সমপরিমাণ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নষ্ট হয়েছে।

যদিও এই চুক্তি নিয়ে ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে, তবুও নেতারা দাবি করছেন, তারা স্বাস্থ্যসেবা সংকটকে জনগণের সামনে তুলে ধরতে সফল হয়েছেন। সিনেটর চাক শুমারসহ অনেক শীর্ষ নেতা কঠোর সমালোচনার মুখে পড়েছেন, তবে চুক্তিটি শেষ পর্যন্ত সরকারি কাজ স্বাভাবিক করতে সহায়ক হলো।