News update
  • Rohingya Crisis: Global Community Urges Long-Term Strategy     |     
  • PM Orders Study on Restoring Universal Stipends for Girls     |     
  • President urges KSA to make hajj more convenient for Bangladeshi pilgrims     |     
  • Second Teesta Bridge: Costly shortcut that heavy vehicles cannot take     |     
  • March in Stockholm for stronger climate action ahead of polls     |     

ইরানে সংঘাতে নিরাপত্তা বাহিনীর শতাধিক সদস্য নিহতের দাবি

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক সংঘাত 2026-01-11, 7:58pm

werweterter-49a03250e1411eb46c3a389abe62bdf21768139929.jpg




ভয়াবহ অর্থনৈতিক মন্দা আর আকাশচুম্বী মূল্যস্ফীতির আগুনে পুড়ছে ইরান। গত দুই সপ্তাহ ধরে চলা সরকারবিরোধী বিক্ষোভ এখন রীতিমতো এক রক্তক্ষয়ী খণ্ডযুদ্ধে রূপ নিয়েছে। রোববার(১১ জানুয়ারি) দেশটির আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা ‘তাসনিম জানিয়েছে, বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে সংঘর্ষে এখন পর্যন্ত নিরাপত্তা বাহিনীর অন্তত ১০৯ জন সদস্য নিহত হয়েছেন। ইসফাহান ও কেরমানশাহ প্রদেশের সড়কগুলো এখন রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে, যেখানে পুলিশের ওপর অতর্কিত হামলার ঘটনা ঘটছে প্রতিনিয়ত। 

পরিস্থিতি কতটা ভয়াবহ তা স্পষ্ট হয় রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির ওপর হামলার ঘটনায়। গোলেস্তান প্রদেশে ত্রাণ ভবনে হামলার সময় এক মানবিক সহায়তা কর্মী প্রাণ হারিয়েছেন। এমনকি পূর্ব ইরানের মাশহাদ শহরে একটি মসজিদে অগ্নিসংযোগের খবরও পাওয়া গেছে। যদিও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দাবি করছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসছে, তবে দেশটির অ্যাটর্নি জেনারেলের এক হুঁশিয়ারি নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, এই অস্থিতিশীলতার সঙ্গে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে ‘মৃত্যুদণ্ড’ দেওয়া হতে পারে।

এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের সমর্থনে এগিয়ে আসার এবং প্রয়োজনে হস্তক্ষেপ করার ইঙ্গিত দেওয়ার পর রণংদেহী অবস্থানে পৌঁছেছে তেহরান। রোববার পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে স্পিকার মোহাম্মদ বাকের কালিবাফ সরাসরি ওয়াশিংটনকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করে বা সামরিক হামলার চেষ্টা চালায়, তবে মধ্যপ্রাচ্যের প্রতিটি মার্কিন ঘাঁটি ও ইসরায়েলকে ‘বৈধ লক্ষ্যবস্তু’ হিসেবে গণ্য করে পাল্টা আক্রমণ করা হবে।

বিশ্লেষকদের মতে, গত কয়েক দশকের মধ্যে এটিই ইরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থার জন্য সবচেয়ে বড় পরীক্ষা। সাধারণ মানুষ যখন জীবনযাত্রার ব্যয় মেটাতে হিমশিম খাচ্ছে, তখন কর্তৃপক্ষের কঠোর দমন-পীড়ন হিতে বিপরীত হতে পারে। একদিকে রাজপথে সাধারণ মানুষের ক্ষোভ আর অন্যদিকে পরাশক্তিদের সামরিক হুমকি—সব মিলিয়ে ইরান এখন এক অগ্নিকুণ্ডের ওপর দাঁড়িয়ে।