News update
  • Speaker sees no possibility of Hasina's return even in 10-yrs     |     
  • Bangladesh Ambassador to Japan returns home ahead of PM’s visit     |     
  • Sajek Road Blockade: 2,933 Tourists Evacuated Amid Gunfire     |     
  • Climate Crisis May Displace 7.5% of Bangladeshis by 2050     |     
  • NEIR Rollout Targets Tk 2,000cr Revenue Loss From Illegal Phones     |     

‘এটি রাশিয়ার বিষয় নয়’, ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে পুতিন কেন উচ্ছ্বসিত?

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক সংঘাত 2026-01-22, 10:36am

5600a8743dfeae38e49e74714a0139a8eda0f4510c5244b6-a6bebf51c3b2c4d568f2820fc6dc560b1769056592.jpg




গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের উচ্চাকাঙ্ক্ষা থেকে মস্কোকে দূরে সরিয়ে রেখেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তিনি বলেছেন, এটি আমাদের বিষয় নয়। যুক্তরাষ্ট্র ও তার ন্যাটো (উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা) মিত্ররাই বিষয়টি নিজেদের মধ্যে মিটিয়ে নেবে।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাদ্যমগুলোর প্রতিবেদেনে বলা হয়, ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ড দখলের যুক্তি হিসেবে রাশিয়ারে হুমকির কথা উল্লেখ করেছেন। যদিও পুতিন এ বিষয়ে পুতিন আর্কটিক দ্বীপটির বাসিন্দাদের সহানুভূতি দেখান এবং ট্রাম্পের উদ্যোগে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।

জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে দেয়া বক্তব্যে পুতিন বলেন, ‘গ্রিনল্যান্ডের ক্ষেত্রে কী ঘটবে—তা আমাদের বিষয় নয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘ডেনমার্ক দীর্ঘদিন ধরেই গ্রিনল্যান্ডের সঙ্গে উপনিবেশের মতো আচরণ করছে এবং তাদের প্রতি আচরণ ছিল কঠোর—কখনও কখনও নির্মমও। তবে সেটি সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রসঙ্গ এবং এখন সেটি নিয়ে কারও আগ্রহ আছে বলে মনে হয় না।’

পুতিন বলেন, ‘এটি আমাদের বিষয় নয়। তারা নিজেদের মধ্যেই বিষয়টি মিটিয়ে নেবে।’

ইতিহাসের প্রসঙ্গ টেনে তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, ১৯১৭ সালে ডেনমার্ক যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ভার্জিন আইল্যান্ডস বিক্রি করেছিল। একইভাবে, ১৮৬৭ সালে রাশিয়া যুক্তরাষ্ট্রের কাছে আলাস্কা বিক্রি করেছিল ৭ দশমিক ২ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে।

যুক্তরাষ্ট্র-ইউরোপ উত্তেজনায় রাশিয়ার উচ্ছ্বাস

ট্রাম্পের পরিকল্পনার প্রতি মস্কোর এই নমনীয়তা এক সুপরিকল্পিত কৌশলের ইঙ্গিত দিচ্ছে, যার লক্ষ্য হলো—পশ্চিমা ঐক্যকে দুর্বল করা এবং যুক্তরাষ্ট্রের মনোযোগ অন্য দিকে সরিয়ে রাখা।

গ্রিনল্যান্ড দখল নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের মধ্যে উত্তেজনা যখন তুঙ্গে, তখন রাশিয়ার কর্মকর্তা, রাষ্ট্রপরিচালিত গণমাধ্যম এবং ক্রেমলিনপন্থি ব্লগারেরা উল্লাস, উপহাস এবং সতর্কতার মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন। কেউ কেউ ট্রাম্পের এই পদক্ষেপকে ঐতিহাসিক হিসেবে অভিহিত করেছেন। অনেকের মতে, এটি ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ন্যাটোকে দুর্বল করবে—যা মস্কোর জন্য ইতিবাচক—এবং এটি ইউক্রেন যুদ্ধ থেকে পশ্চিমের মনোযোগ কিছুটা সরিয়ে নেবে। তথ্যসূত্র: এনডিটিভি