News update
  • Holy Eid-e-Miladunnabi Wednesday     |     
  • EU sees Bangladesh as partner of growing strategic importance: Miller     |     
  • Journalism’s main task is to question power: Swapon     |     
  • Rohingya Crisis: Global Community Urges Long-Term Strategy     |     
  • PM Orders Study on Restoring Universal Stipends for Girls     |     

সিরিয়া থেকে সব সেনা প্রত্যাহার করছে যুক্তরাষ্ট্র

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক সংঘাত 2026-02-19, 11:02am

4354365346-c062417487cf3dc9e9f319394775a07d1771477350.jpg




সিরিয়ায় অবস্থানরত অবশিষ্ট প্রায় এক হাজার মার্কিন সেনাকে ধাপে ধাপে প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। 

আগামী দুই মাসের মধ্যে এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে পারে বলে মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাতে বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, গত কয়েক মাস ধরে সিরিয়ায় মার্কিন সামরিক উপস্থিতি কমানো হচ্ছিল। সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ওয়াশিংটন মনে করছে সেখানে আর উল্লেখযোগ্য সেনা উপস্থিতির প্রয়োজন নেই। কারণ আইএস (দায়েশ) মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় অংশীদার হিসেবে কাজ করা ওয়াইপিজি/এসডিএফ জোট কার্যত ভেঙে গিয়ে সিরিয়ার রাষ্ট্র কাঠামোর সঙ্গে একীভূত হয়েছে। ফলে স্থানীয় মিত্রদের মাধ্যমে আইএস দমনের যে মূল লক্ষ্য নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র সিরিয়ায় অবস্থান করেছিল, তা এখন প্রায় শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এরই মধ্যে সিরিয়া-জর্ডান-ইরাক সীমান্তবর্তী গুরুত্বপূর্ণ আল-তানফ ঘাঁটি থেকে মার্কিন বাহিনী সরে গেছে। উত্তর-পূর্ব সিরিয়ার আল-শাদ্দাদি ঘাঁটি থেকেও চলতি মাসের শুরুতে প্রত্যাহার সম্পন্ন হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

তবে এই সেনা প্রত্যাহারের সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের চলমান নৌ ও বিমান মোতায়েনের কোনো সরাসরি সম্পর্ক নেই বলে জানানো হয়েছে। ইরানের সঙ্গে পারমাণবিক আলোচনা ব্যর্থ হলে সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপের প্রস্তুতি হিসেবেই ওই মোতায়েন বজায় রাখা হয়েছে। ইরান ইতোমধ্যে সতর্ক করে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালে তারা অঞ্চলজুড়ে মার্কিন স্বার্থে পাল্টা আঘাত হানতে পারে।

একজন জ্যেষ্ঠ মার্কিন কর্মকর্তার ভাষ্য, সিরিয়ার সরকার এখন সন্ত্রাসবিরোধী কার্যক্রমের দায়িত্ব নিচ্ছে। তবে আইএসের পুনরুত্থানের কোনো ইঙ্গিত দেখা দিলে যুক্তরাষ্ট্র প্রয়োজনে দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানাতে সক্ষম থাকবে।

এদিকে কিছু মার্কিন ও বিদেশি কর্মকর্তা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, মার্কিন উপস্থিতি কমে গেলে যুদ্ধবিরতির স্থিতিশীলতা নষ্ট হতে পারে এবং আইএস পুনর্গঠনের সুযোগ পেতে পারে। অন্যদের মতে, সিরিয়ায় অবশিষ্ট মার্কিন সেনারা মূলত রাজনৈতিক বার্তা দেওয়ার প্রতীকী উপস্থিতি হিসেবেই কাজ করছিলেন; বাস্তব সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে তাদের ভূমিকা ছিল সীমিত। সূত্র: আনাদোলু