News update
  • ECNEC Approves 8 Projects Worth Tk 2,266 Crore     |     
  • No Plan to Drop Bangla, History from Honours: Milon     |     
  • Global turmoil shadows Bonn climate talks     |     
  • Dhaka's air quality recorded ‘moderate’ Tuesday morning     |     
  • Court seeks Interpol red notices for 2 fugitives in Tonu killing     |     

ওয়াশিংটনে মার্কিন ঘাঁটির ওপর রহস্যময় ড্রোন, নিরাপত্তা জোরদার!

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক সংঘাত 2026-03-19, 6:11pm

tewrweweqwe-26cf97c878e2f1ea072b539ac83947931773922273.jpg

ওয়াশিংটনের ফোর্ট লেসলি জে ম্যাকনেয়ার ঘাঁটি। ছবি: সংগৃহীত



ইরান যুদ্ধের মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসির একটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিত ঘাঁটিতে বড় ধরনের নিরাপত্তা লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে। মার্কিন কর্মকর্তারা ফোর্ট ম্যাকনেয়ার ঘাঁটির ওপর অজ্ঞাত ড্রোন শনাক্ত করেছেন, যেখানে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ বসবাস করেন।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদনে এ খবর জানানো হয়। এ ঘটনার পর হোয়াইট হাউসে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং ওই এলাকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

ফোর্ট লেসলি জে ম্যাকনেয়ারে ন্যাশনাল ডিফেন্স ইউনিভার্সিটি এবং পেন্টাগনের কিছু শীর্ষস্থানীয় সামরিক কর্মকর্তা বসবাস করেন। সম্প্রতি দেশটির বিদায়ী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিস্টি নোয়েমসহ ট্রাম্প প্রশাসনের বেশ কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা আশপাশের সামরিক ঘাঁটিগুলোতে স্থানান্তরিত হয়েছেন। 

এই জায়গাটি যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে হোয়াইট হাউস ও ক্যাপিটল হিল থেকে মাত্র প্রায় ২ মাইল (৩.২ কিলোমিটার) দূরে  অবস্থিত। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজধানী অঞ্চলের অন্যান্য সামরিক ঘাঁটির মতো এখানে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা বেষ্টনী নেই।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ১০ দিনের মধ্যে এক রাতেই ফোর্ট ম্যাকনেয়ারের আকাশে একাধিক ড্রোন দেখা গিয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। এছাড়া এ নিয়ে আলোচনা করতে হোয়াইট হাউসে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ওয়াশিংটন পোস্ট বলছে, ড্রোন শনাক্তের পর কর্মকর্তারা ফোর্ট ম্যাকনেয়ার থেকে রুবিও ও হেগসেথকে সরিয়ে নেয়ার বিষয়ে আলোচনা করেছেন। গত অক্টোবরে একাধিক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছিল, এ ঘাঁটিতে ট্রাম্প প্রশাসনের দুই মন্ত্রী বসবাস করছেন। তবে, একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেছেন,  দুই মন্ত্রী এখনও তাদের বাড়ি ছেড়ে যাননি।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ড্রোনগুলো কোথা থেকে এসেছিল তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার কারণে সামরিক বাহিনী সম্ভাব্য হুমকি মোকাবিলায় পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। তথ্যসূত্র: এনডিটিভি