News update
  • Prioritise Multilateralism to Resolve Iran War Humanitarian Crisis     |     
  • From drought to deluge: ‘Super’ El Niño’s expanding reach     |     
  • Messi Bids Farewell to Argentina After 21-Year Career     |     
  • Toyota Tsusho briefs PM on plan to manufacture vehicles in Bangladesh     |     

চেন্নাইয়ে ধাপে ধাপে চলছে কারিনার লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্ট পরিকল্পনা

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক সেলিব্রিটি 2026-05-13, 11:51am

img_20260513_114917-51df569231d73a9c0cd9b5eba70eeec71778651479.jpg




লিভার-সংক্রান্ত জটিলতায় সংকটাপন্ন কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও অভিনেত্রী কারিনা কায়সারকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ভারতের চেন্নাই নেওয়ার পর শুরু হয়েছে নতুন চিকিৎসা-প্রক্রিয়া। বর্তমানে তিনি ভারতের ভেলোরে অবস্থিত খ্রিষ্টান মেডিক্যাল কলেজ (সিএমসি) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। 

চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, প্রথমে তার ফুসফুসের জটিলতা নিয়ন্ত্রণে আনা হবে। এরপর ধাপে ধাপে লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্টের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হবে।

গত সোমবার রাত ১১টার দিকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে রাজধানীর হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তাকে চেন্নাই নেওয়া হয়। তার সঙ্গে রয়েছেন মা ও দুই ভাই। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক খেলোয়াড় কায়সার হামিদ।

মঙ্গলবার (১২ মে) গণমাধ্যমকে কায়সার হামিদ জানান, চেন্নাই পৌঁছানোর পর দ্রুত চিকিৎসা শুরু করেছেন সেখানকার চিকিৎসকেরা। বর্তমানে কারিনার ফুসফুসের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চলছে। এরপর লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্টের পরবর্তী ধাপ শুরু হবে। তিনি জানান, কারিনার রক্তচাপ এখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং হার্ট, কিডনিসহ অন্যান্য অঙ্গ স্বাভাবিকভাবে কাজ করছে।

তিনি আরও বলেন, দেশে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কারিনাকে অতিরিক্ত মাত্রায় ঘুমের ওষুধ দেওয়া হয়েছিল বলে চেন্নাইয়ের চিকিৎসকেরা তাদের জানিয়েছেন। বর্তমানে চিকিৎসকেরা তার শারীরিক অবস্থার উন্নয়নে ধাপে ধাপে কাজ করছেন। ফুসফুসে জমে থাকা পানি অপসারণের চিকিৎসাও চলছে।

এদিকে কারিনার লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্টের প্রস্তুতিও শুরু হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তার দুই ভাইয়ের রক্ত পরীক্ষা করা হয়েছে। তাদের মধ্যে একজন লিভার ডোনেট করবেন। কায়সার হামিদ জানান, তার ছোট ছেলে সাদাত হামিদের সঙ্গে কারিনার রক্তের গ্রুপের মিল পাওয়া গেছে। তবে দুই ভাইয়েরই পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে।

এর আগে রোববার কায়সার হামিদ জানিয়েছিলেন, মেয়ের শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি হওয়ায় দ্রুত বিদেশে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে হয়। এ জন্য ভিসা সংক্রান্ত বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়েছিল বলে জানান তিনি। তার ভাষায়, আমাদের হাতে বেশি সময় ছিল না, দ্রুত ওকে বিদেশে নিতে হয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, প্রথমে জ্বরে আক্রান্ত হন কারিনা। পরে তার শরীরে সংক্রমণ ধরা পড়ে। পরবর্তীতে হেপাটাইটিস এ এবং ই জটিলতায় তার লিভার ফেইলিওর দেখা দেয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে আইসিইউতে নেওয়া হয় এবং পরে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়।

কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিসেবে পরিচিতি পাওয়া কারিনা কায়সার সাম্প্রতিক সময়ে অভিনয় ও চিত্রনাট্য লেখার কাজেও যুক্ত ছিলেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রাণবন্ত উপস্থাপনা ও জীবনঘনিষ্ঠ কনটেন্টের মাধ্যমে তরুণদের কাছে জনপ্রিয়তা পান তিনি। পরে ওটিটি ও নাটকেও কাজ শুরু করেন। তার উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে রয়েছে ইন্টার্নশিপ এবং ৩৬-২৪-৩৬।