News update
  • Net FDI in Bangladesh jumps 39.36% to $1.77 billion in 2025     |     
  • Bangladesh, US sign energy cooperation MoU in Washington     |     
  • UNAIDS Warns HIV Services Face Crisis Amid Funding Cuts     |     
  • Central Bank approves liquidation of 5 ailing NBFIs from July     |     
  • Trump seeks Chinese support for possible Iran deal     |     

বেইজিংয়ে ট্রাম্প, শিগগিরই চীন সফরে যাচ্ছেন পুতিন

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক কুটনীতি 2026-05-15, 8:09am

reterterw3-2a6eb231a4b3edccb72a86c43bb84b941778810985.jpg




রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন খুব শিগগিরই চীন সফরে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছে ক্রেমলিন। 

বৃহস্পতিবার(১৪ মে) ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভের বরাত দিয়ে রাশিয়ান সংবাদমাধ্যম আরটি এই তথ্য জানিয়েছে।  

দিমিত্রি পেসকভ জানিয়েছেন, পুতিনের এই সফরের সুনির্দিষ্ট তারিখ এখনও চূড়ান্ত করা না হলেও ভ্রমণের যাবতীয় প্রস্তুতি ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। 

রুশ সংবাদমাধ্যমগুলোর ধারণা অনুযায়ী, আগামী সপ্তাহেই এই হাই-প্রোফাইল সফরটি অনুষ্ঠিত হতে পারে। এর আগে পুতিন সর্বশেষ ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে বেইজিং সফর করেছিলেন। সে সময় তিনি চীনের একটি শীর্ষ সম্মেলন ও বিশাল সামরিক কুচকাওয়াজে অংশ নিয়েছিলেন।

এদিকে, চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দুই পরাশক্তি চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান উত্তেজনা প্রশমনের লক্ষ্যে বর্তমানে বেইজিং সফরে রয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দীর্ঘ এক দশকের মধ্যে কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্টের এটিই প্রথম চীন সফর। বুধবার(১৩ মে) স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টা ৫০ মিনিটে ট্রাম্পকে বহনকারী ‘এয়ার ফোর্স ওয়ান’ বেইজিং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

বিশ্বের বৃহত্তম দুই অর্থনীতির শীর্ষ নেতাদের এই বহুল প্রতীক্ষিত বৈঠকে বৃহস্পতিবার ইরান সংকট, বাণিজ্য যুদ্ধ এবং তাইওয়ান ইস্যু নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। মূলত মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে গত মার্চে এই সফর হওয়ার কথা থাকলেও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তা পিছিয়ে দিয়েছিলেন। শুক্রবার(১৫ মে) চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে চা-চক্র ও মধ্যাহ্নভোজের পর ট্রাম্পের ওয়াশিংটনের উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে।

পুতিনের সম্ভাব্য এই চীন সফরকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক মহলে নতুন করে কৌতূহল ও সমীকরণের সৃষ্টি হয়েছে। ট্রাম্পের সফরের পরপরই পুতিনের বেইজিং গমনকে দুই দেশের কৌশলগত সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।