News update
  • PM urges SSF to ensure security without distancing him from people     |     
  • Triple Climate Threats Endanger Half of Children     |     
  • Returned from India as an instant protest: Adviser Zahed     |     
  • ECNEC clears five development projects worth Tk 7,003 crore     |     
  • As world awaits Iran-US accord details, UN wants Hormuz aid corridor     |     

আর্জেন্টিনার ম্যাচের দিন হল সংসদের জিএসকে লাঞ্ছিতের অভিযোগ রাকসু জিএসের বিরুদ্ধে

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক ক্যাম্পাস 2026-06-18, 2:04pm

saalaauddin_aammaar-e8718d450bfae53e143d97ab92cec0c01781769870.jpg




রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) বিশ্বকাপ ফুটবল ম্যাচ প্রদর্শনকে কেন্দ্র করে নবাব আব্দুল লতিফ হল সংসদের সাধারণ সম্পাদক (জিএস) নুরুল ইসলাম শহিদকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) জিএস সালাহউদ্দিন আম্মারের বিরুদ্ধে।

গতকাল বুধবার (১৭ জুন) রাত ১০টার দিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এই অভিযোগ করেন লতিফ হলের জিএস নুরুল ইসলাম শহিদ। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন রাকসু জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার।

ফেসবুক পোস্টে নুরুল ইসলাম শহিদ লেখেন, আর্জেন্টিনা ও আলজেরিয়ার মধ্যকার বিশ্বকাপ ফুটবল ম্যাচ উপলক্ষে আমি এবং আমার হলের কয়েকজন বড় ভাই হবিবুর রহমান হল মাঠে খেলা দেখতে যাই। সেখানে দর্শকদের সঙ্গে বসে খেলা উপভোগ করছিলাম। খেলার প্রায় ৩০-৩১ মিনিটের সময় রাকসুর ভিপি মুস্তাকুর রহমান জাহিদ এবং হবিবুর রহমান হলের জিএস আশিক শিকদার আমাকে তাদের পাশে এসে খেলা দেখার জন্য ডাকেন। প্রথমে যেতে রাজি না হলেও পরবর্তীতে তাদের অনুরোধে সাড়া দিয়ে এলইডি স্ক্রিনের পাশের একটি নির্ধারিত স্থানে যাই, যা সুতা দিয়ে ঘেরা ছিল। সেখানে ভিপির পাশে বসে খেলা দেখতে শুরু করি। একই স্থানে অন্য পাশে জিয়া হলের জিএস ও রাকসুর একজন কার্যনির্বাহী সদস্যও উপস্থিত ছিলেন।

খেলা দেখার প্রায় এক মিনিট পর রাকসু জিএস সালাউদ্দিন আম্মার এবং রাকসুর সহ-ক্রীড়া সম্পাদক আবু সাঈদ সামি সেখানে আসেন। এ সময় ভিপি একটি গণমাধ্যমকে সাক্ষাৎকার দেওয়ার জন্য স্থান ত্যাগ করেন। ভিপি সরে যাওয়ার পরপরই সালাউদ্দিন আম্মার আমাকে সেখান থেকে উঠে যেতে বলেন। আমি কারণ জানতে চাইলে তিনি আমার গেঞ্জির কলার ধরে টানতে টানতে বলতে থাকেন যে সেখানে কেউ থাকতে পারবে না এবং আমাকে সেখানে দেখলে অন্যরাও আসতে চাইবে। পুরো সময় তিনি আমার পোশাক ধরে টানাটানি করেন এবং একপর্যায়ে আমাকে জোরপূর্বক দড়ির ভেতরের স্থান থেকে বের করে দেন। এ ঘটনায় সহ-ক্রীড়া সম্পাদকও উপস্থিত ছিলেন।

নুরুল ইসলাম শহিদ আরও লেখেন, এরপর আমি প্রতিবাদ জানিয়ে বলি যে আমি নিজ উদ্যোগে সেখানে যাইনি কিংবা কাউকে সেখানে যাওয়ার অনুরোধও করিনি; বরং আমাকে ডেকে নেওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি আমি উল্লেখ করি যে এ ধরনের আচরণ বা বেয়াদবি সবসময় মেনে নেওয়া সম্ভব নয়.

এ সময় কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে ভিপি সেখানে ফিরে আসেন। আমি তাকে বলি যে আজকের পর থেকে ভবিষ্যতে আপনাদের কোনো কার্যক্রমে আমি বা আমরা অংশগ্রহণ করতে আগ্রহী নই, কারণ এ ধরনের ব্যবহার আমরা প্রত্যাশা করি না এবং মেনে নিতেও পারি না। তবে ভিপি ঘটনাটির পূর্ববর্তী অংশ প্রত্যক্ষ না করেই আমাকে শান্ত হতে বলেন এবং কেন আমি আম্মারের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করছি সে বিষয়ে প্রশ্ন তোলেন। পরবর্তীতে তিনি আমাকে সেখান থেকে অন্যত্র নিয়ে যান।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, আম্মারের আচরণে দাম্ভিকতা ছিল এবং তিনি শহিদ ভাইদের সঙ্গে খুবই খারাপ আচরণ করেছেন।

এদিকে অভিযোগ অস্বীকার করে রাকসু জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার বলেছেন, দায়িত্ব নিয়ে বলছি, আমি তার গায়ে টাচই করিনি। একবারের জন্যও তার টি-শার্টে হাত দেইনি। স্ক্রিনের বাম পাশে আমাদের বোনেরা বসেছিল, সেখানে সামনে কেউ দাঁড়ালে তারা দেখতে পারছিল না। তাই শৃঙ্খলার স্বার্থে আমি তাকে ডানপাশে ভিপির পাশে গিয়ে বসতে বলি। কিন্তু সে সেখান থেকে বের হয়ে আমাকে অত্যন্ত বাজে ভাষায় গালি দিতে দিতে চলে যায়।

আয়োজন সুন্দর করার ক্ষেত্রে কোনো আপস করা হয়নি উল্লেখ করে আম্মার আরও বলেন, মেয়েদের দেখার সুবিধার্থে এমনকি রাকসু ভিপিকেও অনুরোধ করে ডানপাশে বসানো হয়েছিল।

খেলা দেখানোর মূল আয়োজক রাকসুর সহকারী ক্রীড়া সম্পাদক আবু সাঈদ নূন বলেন, তিনি স্ক্রিনের পাশের বক্সের সামনে থাকায় মূলত কী ঘটেছিল বা কোনো গালাগালির ঘটনা ঘটেছে কি না, তা স্পষ্টভাবে শুনতে পাননি। পরে ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পেরেছেন।