News update
  • Rohingya Crisis: Global Community Urges Long-Term Strategy     |     
  • PM Orders Study on Restoring Universal Stipends for Girls     |     
  • President urges KSA to make hajj more convenient for Bangladeshi pilgrims     |     
  • Second Teesta Bridge: Costly shortcut that heavy vehicles cannot take     |     
  • March in Stockholm for stronger climate action ahead of polls     |     

রোববারের কর্মসূচি প্রত্যাহার ইউআইইউয়ের আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক ক্যাম্পাস 2025-06-22, 5:52am

img_20250622_054949-688500513cd090cdfac15e59bec6331c1750549936.jpg




আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বলেছেন, ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ইউআইইউ) যে নোটিশ দিয়েছে তাতে দাবির প্রতিফলন ঘটেনি। উক্ত নোটিশটি বিভ্রান্তিকর। তবে রোববারের কর্মসূচি প্রত্যাহার করা হচ্ছে। এক্ষেত্রে যৌক্তিক ও গ্রহণযোগ্য সমাধানে পৌঁছাতে সক্ষম না হলে সেক্ষেত্রে সোমবার থেকে আবারও কঠোর কর্মসূচি পালন করা হবে।

শনিবার (২১ জুন) রাতে এ কথা বলেছেন ইউআইইউয়ের আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বলেন, ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ইউআইইউ) যে নোটিশ দিয়েছে তাতে দাবির প্রতিফলন ঘটেনি, উক্ত নোটিশটি বিভ্রান্তিকর। তাদের কাছে দাবি ছিল বিনা শর্তে ২৬ শিক্ষার্থীর বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার হলেও। তবে তারা বিভ্রান্তিকর কিছু শর্ত আরোপ করেছে। একই সাথে কিছু শিক্ষার্থীকে রানিং সেমিস্টারসহ দুই সেমিস্টারের জন্য তারা সাসপেন্ড করেছে। যেটা অযৌক্তিক। তাই আমরা ইউআইইউ এর বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি সকল পক্ষ এ নোটিশ প্রত্যাহার করছি। তবে আমরা আগামীকাল আলোচনার মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর অংশ ও অযৌক্তিক শাস্তির বিষয়ে সমাধানে আসার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। যদি আগামীকাল যৌক্তিক ও গ্রহণযোগ্য সমাধানে পৌঁছাতে সক্ষম না হই, সেক্ষেত্রে সোমবার (২৩ জুন) থেকে আমরা আবারও কঠোর কর্মসূচিতে যাবো।

এদিকে রাতে জরুরি সভা শেষে এক নোটিশে উপাচার্যবিরোধী আন্দোলনে জড়ানো ২৬ শিক্ষার্থীর বহিষ্কারাদেশ শর্তসাপেক্ষে প্রত্যাহার করে ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ইউআইইউ)।

বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ শাখার পরিচালক আবু সা-দাত মো. মুনতাসিরবিল্লা রাতে গণমাধ্যমকে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সভা করে স্থায়ীভাবে বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীদের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। শিক্ষার্থীরা রাত ৮টা পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছিলেন, সে সময়ের মধ্যেই আমরা সিদ্ধান্ত জানিয়েছি। এটাই শিক্ষার্থীদের মূল দাবি ছিল।

তিনি আরও বলেন, ‘যারা বহিষ্কৃত ছিলেন, তারা চলতি স্প্রিং সেমিস্টার থেকে ক্লাস চালিয়ে যেতে পারবেন। যাদের দুই সেমিস্টারের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছিল, তারা ক্লাসে ফিরবেন ফল সেমিস্টার থেকে।

তবে প্রত্যাহারের নোটিশে এমন কিছু শর্ত উল্লেখ থাকায় শিক্ষার্থীরা তখনও আন্দোলন প্রত্যাহারের বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানাননি। পরে সেটা জানায়।

এর আগে সন্ধ্যা ৬টা দিকে সংবাদ সম্মেলনে ৮টার মধ্যে বহিষ্কার আদেশ প্রত্যাহারের আলটিমেটাম দেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থী প্রতিনিধি ফয়সাল বলেন, ভার্সিটি কর্তৃপক্ষ রাত ৮টার মধ্যে বহিষ্কার আদেশ প্রত্যাহার না করলে তারা কঠোর অবস্থানে যাবেন। রোববার (২২ জুন) সারা দেশে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হবে এবং নতুনবাজার মোড়ে আমরণ অনশন কর্মসূচি পালন করা হবে। এ ছাড়া রোববার ঢাকাসহ সারা দেশে ‘বাংলা ব্লকেড’ পালিত হবে। এদিন সব বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা রাস্তায় নামবে বলেও জানান শিক্ষার্থীরা। তবে কালকের (রোববার) জন্য কর্মসূচি প্রত্যাহার করা হয়েছে।