News update
  • BB earns Tk 25,977 crore net profit in FY26; approves six bonuses     |     
  • Sagar-Runi murder: ICT finds link to cultural figure     |     
  • Tk 3,000cr North Bengal agro-refinance fund interest cut rate to 7%     |     
  • Khulna University team shines in worldwide research competition     |     
  • No more “Aynaghar”, perpetrators to face justice: President Fakhrul     |     

গাড়িতে হামলার অভিযোগ করে মমতা বললেন ‘মারা যেতে পারতাম’

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক গনতন্ত্র 2026-08-09, 8:03pm

mmtaa_thaam-1c60f9ae103b57959ec485b9628b93a51786284214.jpg




ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল নেত্রী মমতা ব্যানার্জীর গাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটেছে। আজ রোববার (৯ আগস্ট) দুপুরে পুলিশি হেফাজতে এক দলীয় কর্মীর মৃত্যুর ঘটনায় হালিশহরে যাওয়ার পথে এই হামলার মুখোমুখি হন তিনি। খবর এনডিটিভির।

মমতা ব্যানার্জীর অভিযোগ করে বলেন, অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতকারীরা ইট ও পাথর দিয়ে তাঁর গাড়িতে হামলা চালায়, যা তাঁর জীবন কেড়ে নিতে পারত। অন্যদিকে, রাজ্য বিজেপি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে এতে তাদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলে জানিয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, হালিশহরে যাওয়ার পথে বিক্ষোভকারীরা তৃণমূল নেত্রীর গাড়ি ঘিরে ধরে, তাতে কাদা ছিটিয়ে দেয় এবং জুতো ও পানির বোতল ছুড়ে মারে। এ সময় বিভিন্ন স্লোগানে এলাকা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। 

পরবর্তীতে সাংবাদিকদের মমতা বলেন, বাইরের সমাজবিরোধীরা পুলিশের সামনেই আমার গাড়িতে পাথর ছুড়েছে। গাড়ির জানালা বন্ধ না থাকলে আমার মাথা ফেটে যেতে পারত, আমি মারাও যেতে পারতাম। আমি এর আগে কখনো এমন আক্রমণের শিকার হইনি। পুলিশ আমাদের রক্ষায় কিছুই করেনি, তারা শুধু বিজেপিকে সুরক্ষা দেয়।

হামলার সময় মমতার সঙ্গে থাকা লোকসভা সংসদ সদস্য কল্যাণ ব্যানার্জী ও রাজ্যসভা সংসদ সদস্য দোলা সেনও প্রশাসনের ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করেন। কল্যাণ ব্যানার্জী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী পুলিশকে ব্যবহার করে সব কিছু পরিচালনা করছেন।

এদিকে, সাবেক মুখ্যমন্ত্রীর ওপর হামলার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমিক ভট্টাচার্য ঘটনার কড়া নিন্দা জানান। তিনি বলেন, এই সহিংসতার সঙ্গে বিজেপির কোনো সম্পর্ক নেই ও জড়িতদের বিরুদ্ধে পুলিশকে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।

উল্লেখ্য, চাঁদাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া কাঁচরাপাড়া পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর জেনি শর্মার স্বামী ও সাবেক তৃণমূল কর্মী বীরজু কেওত শুক্রবার পুলিশি হেফাজতে মারা যান। নিহতের পরিবারের দাবি, তাঁকে লক-আপে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়েছে। ওই ঘটনার প্রতিবাদে ও নিহতের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার পথেই এই হামলার শিকার হন মমতা ব্যানার্জী। তৃণমূল সংসদ সদস্য অভিষেক ব্যানার্জীও এ ঘটনায় পুলিশের নিরপেক্ষতা ও আইনের শাসন নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।