News update
  • Dhaka ranks 4th in global list of cities with worst air quality     |     
  • Wage Board labour reps seek release of detained workers     |     
  • Gazipur Deploys 10 BGB Platoons Amid Garment Workers’ Protests     |     
  • Bangladesh’s Plastic Crisis Demands Action Across Generations     |     
  • Dhaka Ranks Fourth Globally in Air Pollution Index on Monday     |     

স্পন্সর ভিসায় বড় সুখবর, পাঁচ লাখ শ্রমিক নেবে ইতালি

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক প্রবাস 2025-10-21, 8:25am

rtewrewrewtr-17145226b8fb77a27feb7e50982d97eb1761013528.jpg




বিশ্বের অন্যতম শিল্প ও পর্যটন নির্ভর দেশ ইতালি তাদের শ্রম বাজারের ঘাটতি পূরণের লক্ষ্যে এবার তিন বছর মেয়াদী পাঁচ লাখ শ্রমিক নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির সরকার জানিয়েছে, এবার আবেদন প্রক্রিয়া আরও কঠোর করা হয়েছে যাতে কেবল দক্ষ কর্মী এবং নিবন্ধিত মালিকরাই আবেদন করতে পারেন। ভিসা দিতে হলে প্রত্যেক মালিকের পূর্ণাঙ্গ ও যাচাইযোগ্য তথ্য থাকতে হবে; অন্যথায় আবেদন বাতিল হবে।

স্পন্সর ভিসায় শ্রমিক নেয়ার আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে ২৩ অক্টোবর থেকে। বিশ্বের নন ইউরোপিয়ান ৩৮টি দেশ থেকে কর্মী নেবে ইতালি সরকার। ২৩ অক্টোবর সকাল ৯টা থেকে আগামী ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত আগাম ফরম পূরণের মাধ্যমে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে।

অন্যান্য বছরের চেয়ে এবার এই আবেদন প্রক্রিয়ায় জটিল আইন প্রণয়ন করায় দক্ষ ব্যক্তি এবং সঠিক মালিক ছাড়া আবেদন করা অনেকটাই কঠিন। তবে দালাল চক্রের খপ্পর থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা

তারা বলছেন, জর্জিয়া মেলোনি সরকার খুবই কঠিন আইন করেছে। কারণ প্রত্যেক মালিকের তথ্য শতভাগ তথ্য থাকলেই ভিসা দেবে, অন্যথায় দেবে না।

ইতালিতে শ্রমিক ঘাটতি লেগেই আছে। ২০২৩ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত তিন বছরে ৪ লাখ ৫২ হাজার এবং পরে কোটা বাড়িয়ে তা পাঁচ লাখের মতো করা হয়েছিল।

২০২৬ সালের জন্য আবেদনকারীদের ক্লিক ডে অনুষ্ঠিত হবে ১২ জানুয়ারি, ৯ ফেব্রুয়ারি, ১৬ ফেব্রুয়ারি এবং ১৮ ফেব্রুয়ারি। আগাম ফরম পূরণকারীরা ওইদিন সকাল ৯টায় ক্লিক করে তাদের আবেদন পাঠাতে পারবেন সুনির্দিষ্ট পোর্টালে।

এবার স্বয়ংক্রিয়ভাবে মালিক এবং শ্রমিকের তথ্য যাচাই করে সঠিক ব্যক্তিদের ভিসার অনুমতি পত্র দেয়া হবে। ফলে বাংলাদেশিদের জন্য ঢাকায় ভিসাপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে হয়রানির শিকার হতে হবে না বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।