News update
  • PM Orders Study on Restoring Universal Stipends for Girls     |     
  • President urges KSA to make hajj more convenient for Bangladeshi pilgrims     |     
  • Second Teesta Bridge: Costly shortcut that heavy vehicles cannot take     |     
  • March in Stockholm for stronger climate action ahead of polls     |     
  • Dhaka ranks 18th in global air quality ranking Monday morning     |     

বাংলাদেশিদের জন্য সুখবর দিলো মালদ্বীপ

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক প্রবাস 2026-01-18, 11:04am

rt5y546456-83eb98aa0ad30b9e1cec38167e29ba6d1768712644.jpg




মালদ্বীপে বসবাসরত ও কর্মরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের অধিকার, মর্যাদা এবং সামগ্রিক কল্যাণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে মালদ্বীপে বাংলাদেশ হাইকমিশনের সঙ্গে মালদ্বীপ ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে বাংলাদেশি প্রবাসীদের সুরক্ষা ও দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদারের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার ড. মো. নাজমুল ইসলামের সঙ্গে মালদ্বীপ ইমিগ্রেশন কার্যালয়ে ইমিগ্রেশন কন্ট্রোলার জেনারেল সিপি (অব.) আহমেদ ফাসীহ-এর সম্প্রতি এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (১৭ জানুয়ারি) মালদ্বীপে বাংলাদেশ হাইকমিশনের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়। 

বৈঠকে মালদ্বীপের ইমিগ্রেশন কন্ট্রোলার জেনারেল সিপি (অব.) আহমেদ ফাসীহ হাইকমিশনারকে তাদের সাম্প্রতিক ডিজিটাল উদ্যোগ সম্পর্কে অবহিত করেন।

তিনি জানান, মালদ্বীপ ইমিগ্রেশন এরই মধ্যে ই-ভিসা সিস্টেম ও ইমিগ্রেশন মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন চালু করেছে। প্রাথমিক পর্যায়ে কিছু কারিগরি চ্যালেঞ্জ দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রবাসীরা অনলাইনে তাদের ভিসার অবস্থা যাচাই করতে পারবেন। নিকট ভবিষ্যতে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ভিসা ইস্যু করার পরিকল্পনাও রয়েছে দেশটির।

ইমিগ্রেশন কন্ট্রোলার জেনারেল আরও জানান, বর্তমানে বৈধ ভিসাধারীদের ক্ষেত্রে নির্ধারিত ফি পরিশোধের মাধ্যমে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ই-ভিসায় রূপান্তরিত হবে। আর নতুনদের ক্ষেত্রে এই ব্যবস্থা তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হবে।

হাইকমিশনার ড. মো. নাজমুল ইসলাম বৈঠকে বাংলাদেশি শ্রমিকদের বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন, অনেক শ্রমিক বৈধভাবে মালদ্বীপে এলেও প্রতিশ্রুত কর্মসংস্থান না পেয়ে চরম ঝুঁকিতে পড়েন। তিনি তথাকথিত ‘ফ্রি-ভিসা’ প্রথা বন্ধে সমন্বিত সচেতনতা তৈরি এবং শ্রমিকদের শোষণ ও প্রতারণা থেকে রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর জোর দেন।

এছাড়া, ডলার সংকট নিরসনে একটি নিরাপদ ব্যাংকিং ব্যবস্থা গড়ে তোলা, ন্যায্য বেতন কাঠামো নিশ্চিত করতে কঠোর তদারকি এবং প্রবাসীদের জন্য মানসম্মত চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করার বিষয়টি আলোচনায় নিয়ে আসেন হাইকমিশনার। প্রতারণায় জড়িত প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়ে বাংলাদেশ হাইকমিশনে আসা বিভিন্ন অভিযোগ ইমিগ্রেশন কন্ট্রোলারের কাছে হস্তান্তর করেন তিনি।

ইমিগ্রেশন কন্ট্রোলার জেনারেল আশ্বস্ত করে বলেন, যাচাই-বাছাই সাপেক্ষে প্রতারণায় জড়িত কোম্পানি ও নিয়োগকর্তাদের ‘ব্ল্যাকলিস্ট’ বা কালো তালিকাভুক্ত করা হবে। ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিকদের মালদ্বীপের ‘লেবার রিলেশন অথরিটি’ (এলআরএ)-তে অভিযোগ দাখিলের পরামর্শ দেন তিনি। উভয় পক্ষই দায়িত্বশীল ও নৈতিক নিয়োগ ব্যবস্থার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

মালদ্বীপ ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ জানায়, নতুন পাসপোর্টে তথ্য পরিবর্তন হলে বাংলাদেশ হাইকমিশনের ভেরিফিকেশন লেটার প্রয়োজন হবে। এছাড়া কোনো প্রবাসীকে গ্রেপ্তার বা বহিষ্কারের ক্ষেত্রে লিখিত ব্যাখ্যা প্রদান এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদন দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে জানানো হয়। আইনানুগ বহিষ্কার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে গড়ে তিন সপ্তাহ সময় লাগে বলে জানানো হয়।