
ফিক্সিংয়ের কালো থাবা জেঁকে বসেছিল বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ওপর। গত কয়েক আসরে বিপিএল নিয়ে যত সমালোচনা হয়েছে, তার বেশির ভাগই এই ফিক্সিং নিয়ে। বিপিএলকে এই অন্ধকার থেকে আলোর পথে আনতে তদন্তে নেমেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
বোর্ডের তদন্তের পর একের পর এক নাম উঠে আসছে ফিক্সিংয়ে জড়িত থাকা ব্যক্তিদের। ইতোমধ্যে আটজনের নাম প্রকাশ করেছিল বিসিবির দুর্নীতি দমন ইউনিট (আকু)। এবার সেই তালিকায় যোগ হলো আরও দুই জনের নাম।
আজ বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ফিক্সিংয়ের সঙ্গে জড়িত থাকা সাবেক দুই ফ্র্যাঞ্চাইজি কর্মকর্তার নাম প্রকাশ করেছে বিসিবি। তারা হলেন—চট্টগ্রাম রয়্যালসের মালিক আব্দুল কাইয়ুম রশিদ এবং দুর্বার রাজশাহীর টিম অফিসিয়াল আমিন খান।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিসিবি জানিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের দুর্নীতি দমন ইউনিটের (আকু) পরিচালিত তদন্তে উঠে এসেছে।
চট্টগ্রাম রয়্যালসের মালিক আব্দুল কাইয়ুম রশিদের বিরুদ্ধে চারটি এবং দুর্বার রাজশাহীর টিম অফিসিয়াল আমিন খানের বিরুদ্ধে তিনটি ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
সাবেক এই দুই ফ্র্যাঞ্চাইজি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়ে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিসিবি জানিয়েছে, বিপিএলের ১১তম ও ১২তম আসরে সন্দেহভাজন দুর্নীতিমূলক আচরণ, দুর্নীতির তথ্য প্রকাশে ব্যর্থতা, দুর্নীতিবিরোধী তদন্তে সহযোগিতা না করা এবং তদন্ত প্রক্রিয়ায় বাধা সৃষ্টি বা বিলম্ব ঘটিয়েছেন তারা।
বিসিবি জানিয়েছে, এই দুজনকে বিসিবির ক্রিকেটসংক্রান্ত সমস্ত কার্যক্রম থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। তবে তারা চাইলে নোটিশ পাওয়ার ১৪ দিনের মধ্যে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ পাবেন।