News update
  • PM to visit India when atmosphere turns conducive: Humaiun Kobir     |     
  • PM set to embark on maiden overseas tour with Malaysia visit Sunday     |     
  • Food grain stocks in country exceed 20.6 lakh tons     |     
  • Dhaka, Beijing Likely to Sign 15–17 Agreements     |     
  • Govt Aims for Efficient Spending, More Revenue     |     

২০৩০ সালের মধ্যে ৭ হাজার মেগাওয়াট নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক বিদ্যুৎ 2026-06-21, 12:29pm

bidyu-b44b85e99604b1495985a8f561f2e61c1782023360.jpg




বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ বলেছেন, আগামী অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট সহায়তা যথাযথভাবে বাস্তবায়িত হলে ২০৩০ সালের মধ্যে নবায়নযোগ্য উৎস থেকে ৭ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে।

তিনি বলেন, এটাই প্রথমবার জাতীয় বাজেটে নবায়নযোগ্য জ্বালানি সম্প্রসারণের জন্য সহায়তা ও প্রণোদনা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

জালাল আহমেদ জানান, মার্চেন্ট পাওয়ার প্ল্যান্টগুলোও সুবিধা পেলে ২০৩০ সালের মধ্যে পরিচ্ছন্ন জ্বালানির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে অবদান রাখতে পারবে, কারণ সরকার নবায়নযোগ্য জ্বালানি নীতি ২০২৫ সংশোধনের বিষয়টি বিবেচনা করছে।

নবায়নযোগ্য জ্বালানি নীতি ২০২৫ অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে মোট বিদ্যুৎ চাহিদার ২০ শতাংশ এবং ২০৪০ সালের মধ্যে ৩০ শতাংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে পূরণের লক্ষ্য রয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের স্থাপিত নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা দাঁড়িয়েছে ১,৭৮১.০৯ মেগাওয়াটে।

এতে বলা হয়েছে, বর্তমানে ২৬টি নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণাধীন রয়েছে, যেগুলোর সম্মিলিত উৎপাদন ক্ষমতা ১,১৭২ মেগাওয়াট। এছাড়া ১৫টি নবায়নযোগ্য প্রকল্পের দরপত্র প্রক্রিয়া চলছে, যেগুলোর মোট ক্ষমতা ৬৬৫ মেগাওয়াট এবং ২০২৯ সালের মধ্যে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হওয়ার কথা।

সরকার শিল্প, কৃষি ও আবাসিক খাতে দক্ষ ও সাশ্রয়ী জ্বালানি ব্যবহার নিশ্চিত করতে উদ্যোগ নিয়েছে।

এ ছাড়া অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ত্বরান্বিত করতে এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধি সমর্থনে জ্বালানি ও অবকাঠামো খাতে বিনিয়োগ বাড়ানো হবে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের (পিপিপি) মাধ্যমে

সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাত সম্প্রসারণে দেশে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। দীর্ঘমেয়াদি নীতি স্থিতিশীলতা, গ্রিড আধুনিকায়ন এবং শক্তি সঞ্চয় প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ প্রয়োজন।

ইনস্টিটিউট ফর এনার্জি ইকোনমিকস অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল অ্যানালাইসিসের (আইইইএফএ) প্রধান জ্বালানি বিশ্লেষক শফিকুল আলম বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানির অবদান মাত্র ২.৩ শতাংশ, যেখানে বৈশ্বিক গড় অবদান প্রায় ৩৪ শতাংশ।

তিনি আরও বলেন, জ্বালানি খাতে আমদানি নির্ভরতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। যদি সৌর প্যানেল, ইনভার্টার, লিথিয়াম ব্যাটারি ও সংশ্লিষ্ট যন্ত্রপাতি আমদানিতে কর ও শুল্ক মওকুফের প্রস্তাব বাস্তবায়িত হয়, তবে ছাদে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের খরচ ১৫ থেকে ২০ শতাংশ কমানো সম্ভব।

সঠিকভাবে বাজেট প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত হলে শিল্প ও বাণিজ্যিক খাতে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়বে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।