News update
  • PM Orders Study on Restoring Universal Stipends for Girls     |     
  • President urges KSA to make hajj more convenient for Bangladeshi pilgrims     |     
  • Second Teesta Bridge: Costly shortcut that heavy vehicles cannot take     |     
  • March in Stockholm for stronger climate action ahead of polls     |     
  • Dhaka ranks 18th in global air quality ranking Monday morning     |     

‘হে সমাজ, জেগে উঠো’, মিটফোর্ড হত্যাকাণ্ড প্রসঙ্গে জামায়াত আমীর

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক রাজনীতি 2025-07-12, 8:00am

761eb31a8a4de62d77545e6c462ca05a389db0e3a40d8748-56b43044dcb69359098d922f162c6d5e1752285655.jpg




রাজধানীর মিটফোর্ড হাসপাতালের মূল ফটকে প্রকাশ্য ব্যবসায়ী লাল চাঁদ ওরফে সোহাগকে (৩৯) পাথর ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় গভীর ক্ষোভ ও নিন্দা জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান।

শুক্রবার (১১ জুলাই) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘হে সমাজ, জেগে উঠো! মানুষ হিসেবে বেঁচে থাকার প্রমাণ দাও।’

ফেসবুক পোস্টে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘মিটফোর্ডের ঘটনা বিদেশে অবস্থানরত থাকা অবস্থায় জেনে সকল ভাষা হারিয়ে ফেলেছি। এ কোন যুগ! কোন সমাজ! প্রকাশ্য দিবালোকে একজন ক্ষুদ্র, সাধারণ ব্যবসায়ীকে শুধু চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোর কারণে শত শত মানুষের সামনে কতটা নির্মমভাবে হত্যা করা হলো!’

তিনি আরও লেখেন, ‘হে ক্ষতিগ্রস্ত মজলুম পরিবার, আমরা তোমাদের কাছে লজ্জিত। হে ব্যবসায়ী ভাই সোহাগ, তোমার এই পরিণতি হওয়ার আগে সত্যিকারের কোনো প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারলাম না— এজন্য আমরা আন্তরিকভাবে লজ্জিত। হে সমাজ, জেগে উঠো! মানুষ হিসেবে বেঁচে থাকার প্রমাণ দাও। মনে রেখো— আজ তুমি কারো বিপদে চুপ থাকলে, আগামীকাল তোমার ওপর এর চেয়েও বড় বিপদ এলে, তখন তুমি কাউকে পাশে পাবে না।’

পোস্টের শেষ অংশে তিনি বলেন, ‘অতএব, ভয় ও সংকোচ উপেক্ষা করে আমাদেরকে সমস্ত অপরাধীদের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতেই হবে।’

উল্লেখ্য, গত বুধবার (৯ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টার দিকে রাজধানীর স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের তিন নম্বর গেটের সামনে সোহাগকে নির্মমভাবে হত্যা করে একদল সন্ত্রাসী। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রথমে হাসপাতালের ভেতরেই তাকে মারধর করা হয়। পরে নিথর দেহ টেনে-হিঁচড়ে মূল গেটের বাইরে এনে পাথর দিয়ে আঘাত ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে তারা।