News update
  • JICA, Milestone School sports festival to support students’ emotional recovery     |     
  • Bangladesh gold market breaks record as prices hit Tk 2.57 lakh per bhori     |     
  • Joint forces' drive for 'silent zone' around Airport: 94 cases filed     |     
  • Al-Arafah Islami Bank to suspend all services for 9 days starting Jan 30     |     
  • Bangladesh GDP to Grow 5% in 2026 Amid Rising Price Pressures     |     

বাংলাদেশের মতো ওষুধ উৎপাদন ক্ষমতা কম দেশেই আছে : বিশেষজ্ঞ মত

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক রোগবালাই 2023-03-14, 12:38am

image-82540-1678717230-2-c959b4f0b378081a762c22ee264def121678732690.jpg




বাংলাদেশ বিজনেস সামিটে একজন বিশেষজ্ঞ এবং শীর্ষস্থানীয় ওষুধ প্রস্তুতকারক আজ বলেছেন, বিশ্বের অনেক দেশেই বাংলাদেশের মতো ওষুধ উৎপাদন ক্ষমতা নেই। তিনি বলেন, পশ্চিমা অর্থনীতির পাশাপাশি শুধুমাত্র চীন ও ভারতের ওষুধ উৎপাদন সক্ষমতা রয়েছে।

শীর্ষ সম্মেলনের তৃতীয় ও সমাপনী দিনে, একটি নেতৃস্থানীয় ওষুধ প্রস্তুতকারক বলেছেন এটি বাংলাদেশের জন্য বিশ্ব বাজারে ওষুধের কেন্দ্র হিসেবে আবির্ভূত হওয়ার একটি সুযোগ তৈরি করেছে। ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল মুক্তাদির বলেন যে চীন, ভারত এবং পশ্চিমা বিশ্ব ছাড়া আর কেউই ফার্মাসিউটিক্যালসে বাংলাদেশের মতো ভালো নয়। তাই, এক্ষেত্রে বাংলাদেশের ব্যাপক  সুযোগ রয়েছে। তিনি বলেন, চীন ও ভারতে যথাক্রমে ২২০ বিলিয়ন ডলার এবং ৪০ বিলিয়ন ডলারের ওষুধের বড় বাজার রয়েছে এবং তাদের বাজার ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মুক্তাদির বলেন, দেশীয় চাহিদা মেটানো ছাড়াও ভারত এবং চীন উভয়ই এত বিশাল বৈশ্বিক চাহিদা মেটাতে যথেষ্ট নয়। সবাই একটি ইন্ডিয়া প্লাস ওয়ান খুঁজছে, যেখানে বাংলাদেশের বিশাল সুযোগ রয়েছে।

অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব শরিফা খাতুনের সঞ্চালনায় এক অধিবেশনে মুক্তাদির এ মন্তব্য করেন।

রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) তিন দিনব্যাপী বাংলাদেশ বিজনেস সামিট ২০২৩-এর আয়োজন করেছে ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বারস অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি। এফবিসিসিআইয়ের সঙ্গে পররাষ্ট্র ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ডেভেলপমেন্ট অথরিটির (বিডা) অংশীদারিত্বে শীর্ষ সম্মেলনটি আয়োজিত হয়। 

যুক্তরাজ্য, সৌদি আরব, চীন, ভুটান, সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ সাতটি দেশের মন্ত্রীরা, ১২টি বহুজাতিক কোম্পানির প্রধান নির্বাহী এবং ১৭টি দেশের দুই শতাধিক বিদেশী বিনিয়োগকারী ও ব্যবসায়ী নেতারা এই সম্মেলনে অংশ নিয়েছেন।