News update
  • Trump to attend World Cup final on Sunday: White House     |     
  • IEA Warns Hormuz Disruption Threatens Energy Security     |     
  • Messi to World Cup critics: 'Nothing was handed to us'     |     
  • Bangladesh to buy both Boeing, Airbus jets to expand Biman fleet     |     
  • Fugitive Ex-Major Held in Zia Assassination Case     |     

বেতন গ্রেড: সরকারি প্রাথমিকের শিক্ষকদের জন্য সুখবর

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক শিক্ষকতা 2025-04-29, 7:30am

t432342-7280f7d5820809f95a7ffb239665304b1745890255.jpg




সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতন গ্রেড বাড়ানো হচ্ছে। সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হলে প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষকরা শুরুতে ১২তম ও প্রধান শিক্ষকরা দশম গ্রেড পাবেন। বর্তমানে সহকারী শিক্ষকরা ১৩তম গ্রেডে ও প্রধান শিক্ষকরা ১১তম গ্রেডে বেতন পাচ্ছেন।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক মনজুর আহমদের নেতৃত্বাধীন ‘প্রাথমিক ও উপানুষ্ঠানিক শিক্ষার মানোন্নয়নে গঠিত পরামর্শক কমিটি’র সুপারিশ এবং আদালতের রায়ের আলোকে এ উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।

এ বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের জনবল কাঠামোতে (অর্গানোগ্রাম) সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকদের সুপারিশ করা উন্নীত গ্রেডে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য বেতন স্কেল উন্নীতকরণের চেকলিস্ট অনুযায়ী প্রস্তাব দিতে অধিদফতরকে নির্দেশ দিয়েছে মন্ত্রণালয়। সম্প্রতি অধিদফতরকে এ চিঠি দেয়া হয়।

পরামর্শক কমিটি প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে শতাধিক সুপারিশ করে গত ফেব্রুয়ারি মাসে সরকারের কাছে প্রতিবেদন জমা দেয়। সুপারিশে কমিটি ‘সহকারী শিক্ষক’ পদ বিলুপ্ত করে শুরুর পদ ‘শিক্ষক’ করার সুপারিশ করেছে।

 শিক্ষক হিসেবে শুরুতে বেতন গ্রেড হবে ১২তম (শুরুর মূল বেতন হবে ১১৩০০ টাকা, এর সঙ্গে অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা যোগ হবে)। এরপর দুই বছর পর চাকরি স্থায়ীকরণ ও আরও দুই বছর পর তারা ‘সিনিয়র শিক্ষক’ হবেন। তখন তাদের বেতন গ্রেড হবে ১১তম। এছাড়া পরামর্শক কমিটি প্রধান শিক্ষকদের বেতন গ্রেড দশম করার সুপারিশ করেছে।

এরই মধ্যে উচ্চ আদালতের রায়ে প্রধান শিক্ষকদের বেতন গ্রেড দশম করতে বলা হয়েছে। এখন পরামর্শক কমিটির সুপারিশ ও আদালতের রায় বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, নিয়মানুযায়ী প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর থেকে প্রস্তাব পাঠাতে হবে। এরপর এ বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়ার জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে।