News update
  • No more “Aynaghar”, perpetrators to face justice: President Fakhrul     |     
  • Battery-powered rickshaws to be banned on Dhaka’s main roads     |     
  • Malaysia to Recruit 200,000 Bangladeshi Workers by End-Sept     |     
  • Lionel Messi scores 4 goals, helps Inter Miami to 7-1 win over Montreal     |     
  • China sends tunnel experts for rescue operations in Nepal     |     

ইরানে ভয়াবহ হামলার পর যুক্তরাষ্ট্র বলছে আলোচনা চলছে

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক সংঘাত 2026-07-11, 6:38am

img_20260711_063608-11ddcb8f2c064e95ee94c7cfc69f1c241783730317.jpg




যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে টানা কয়েকদিনের পাল্টাপাল্টি হামলার পরও পরিস্থিতি শান্ত করার কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদার হয়েছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আঞ্চলিক মধ্যস্থতাকারীদের উদ্যোগে উত্তেজনা কমানোর চেষ্টা চলার মধ্যে বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাতে ইরানে নতুন করে কোনো হামলা করেনি যুক্তরাষ্ট্র। একই সঙ্গে দুই দেশের মধ্যে পারমাণবিক ইস্যুতে কারিগরি পর্যায়ের আলোচনা এখনও অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে মার্কিন কর্মকর্তারা।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসন এখনও ইরানের সঙ্গে একটি সমঝোতায় পৌঁছাতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ লক্ষ্যে কারিগরি পর্যায়ের আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, বুধবার কাতার, পাকিস্তানসহ কয়েকটি আঞ্চলিক দেশের মধ্যস্থতাকারীরা ওয়াশিংটন ও তেহরানের সঙ্গে একাধিক দফায় টেলিফোনে যোগাযোগ করেন। তাদের লক্ষ্য ছিল উভয় পক্ষকে আবারও আলোচনার টেবিলে ফিরিয়ে আনা।

মধ্যস্থতা প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত এক আঞ্চলিক সূত্র অ্যাক্সিওসকে জানিয়েছে, ‘প্রথমে উভয় পক্ষকে উত্তেজনা কমানোর বিষয়ে সম্মত করানো এবং এরপর কারিগরি দলের পরবর্তী বৈঠকের তারিখ নির্ধারণের জন্য ব্যাপক কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চলছে।’

বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউস থেকে আল জাজিরার প্রতিবেদক কিম্বারলি হ্যালকেট জানিয়েছেন, সংঘাত চললেও যুক্তরাষ্ট্র এখনও কূটনৈতিক সমাধানের পথ থেকে সরে আসেনি। যদিও প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প বুধবার আঙ্কারায় সাংবাদিকদের বলেছিলেন, ইরানের সঙ্গে হওয়া যুদ্ধবিরতি ‘শেষ’ বলে তিনি মনে করেন।

এক মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সংঘাতের অবসান ঘটানো ছাড়াও ওয়াশিংটনের লক্ষ্য ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত করা এবং হরমুজ প্রণালিতে আন্তর্জাতিক নৌ-চলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা।

মার্কিন ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র এখনও সমাধান খুঁজে বের করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং কারিগরি আলোচনা চলমান রয়েছে। ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী হতে পারবে না।’

তিনি আরও বলেন, সমঝোতা স্মারকটি কর্মসম্পাদনভিত্তিক এবং হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি খুলে না দেয়া ও ন্যাটো সম্মেলনের সময় জাহাজে হামলার মতো ঘটনাগুলো ইরানের পক্ষ থেকে চুক্তির শর্ত পূরণে ব্যর্থতার প্রমাণ।

বুধবার (৮ জুলাই) রাতে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে বিমান হামলা চালায়। মার্কিন বাহিনী জানায়, হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার জবাবে ইরানের সামরিক অবকাঠামো, উপকূলীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ক্ষেপণাস্ত্র অবস্থান এবং সামরিক লজিস্টিক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে অভিযান চালানো হয়।

জবাবে জবাবে কুয়েত, বাহরাইন, কাতার ও জর্ডানে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায় ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।