News update
  • Saudi coalition intercepts Houthi missile after blasts in Riyadh     |     
  • COP31 to Focus on Implementing Climate Policies     |     
  • 16 Killed, 46 Injured as 7.0-Magnitude Quake Hits China's Xizang     |     
  • Dhaka Ranks 12th Among World's Most Polluted Cities on Friday      |     
  • 10 universities in US and UK voted the best in the world      |     

শিশু নির্যাতনের ঘটনায় শারমিন একাডেমির ব্যবস্থাপক গ্রেপ্তার

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক অপরাধ 2026-01-23, 10:40am

img_20260123_103528-5237c5734a443d75705aace4cff3e5121769143201.jpg




রাজধানীর নয়াপল্টন এলাকায় এক শিশুশিক্ষার্থীকে নির্মমভাবে নির্যাতনের ঘটনায় করা মামলার প্রধান আসামি ও স্কুলটির ব্যবস্থাপক পবিত্র কুমার বড়ুয়াকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। 

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) রাতে মিরপুর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি ওই স্কুলের ব্যবস্থাপক।

স্কুলটিতে ভর্তি হওয়ার মাত্র সাত দিনের মাথায় গত ১৮ জানুয়ারি শিক্ষকদের হাতে নির্যাতনের শিকার হয় চার বছর বয়সী শিশুটি। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়ের করা হয়।

এর আগে, সম্প্রতি প্রাপ্তবয়স্ক দুই শিক্ষকের হাতে এক শিশুর মারধরের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। এতে দেখা যায়, স্কুল ইউনিফর্ম পরা আনুমানিক ৩-৪ বছর বয়সী এক শিশুকে টানা-হেঁচড়া করে একটি কক্ষে নিয়ে যাওয়া হয়।

ভিডিওতে গোলাপি শাড়ি পরিহিত এক নারী শিশুটিকে টেবিলের সামনে বসিয়ে বারবার চড় মারছেন এবং ধমক দিচ্ছেন। পরে এক পুরুষ শিক্ষক স্ট্যাপলার হাতে শিশুর মুখের দিকে হুমকি দিয়েছেন। সিসিটিভি ফুটেজ অনুযায়ী, এই ঘটনা ঘটেছে রোববার (১৮ জানুয়ারি) দুপুর ১২টা ৫১ মিনিটে।

ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত দুই ব্যক্তি পলাতক ছিলেন। পরে এ ঘটনায় মামলায় দায়ের করা হলে বৃহস্পতিবার স্কুলের ব্যবস্থাপক পবিত্র কুমারকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুরো ঘটনার সময় শিশুটির মধ্যে চরম ভয় ও মানসিক আতঙ্কের লক্ষণ স্পষ্টভাবে দেখা যায়। ঘটনাটি শাস্তির নামে নিষ্ঠুরতার অভিযোগকে আরও জোরালো করেছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, শাস্তির নামে এ ধরনের সহিংস আচরণ শুধু শিশুদের শারীরিক ক্ষতিই করে না, বরং দীর্ঘমেয়াদে তাদের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর গভীর প্রভাব ফেলে। তারা এটিকে শিশুদের জীবনের প্রতি সরাসরি হুমকি হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে, পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কিংবা সমাজের কোনো স্তরেই শারীরিক শাস্তির বৈধতা নেই।