News update
  • PM Orders Study on Restoring Universal Stipends for Girls     |     
  • President urges KSA to make hajj more convenient for Bangladeshi pilgrims     |     
  • Second Teesta Bridge: Costly shortcut that heavy vehicles cannot take     |     
  • March in Stockholm for stronger climate action ahead of polls     |     
  • Dhaka ranks 18th in global air quality ranking Monday morning     |     

ভারত সফরে যাচ্ছেন আফগান পররাষ্ট্রমন্ত্রী, ভূ-রাজনীতিতে নতুন মোড়!

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক কুটনীতি 2025-10-03, 2:38pm

09f8a99b8d66a68ecbbbd0ede74150b95e622256f3f98514-7b9adca6a0387c311f53b8947234b2311759480727.jpg




আঞ্চলিক ভূ-রাজনীতিকে নতুন করে রূপ দিতে পারে এমন এক ‘যুগান্তকারী’ অগ্রগতিতে, আফগানিস্তানের তালেবান সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকি আগামী ৯ অক্টোবর ভারত সফরে যাচ্ছেন বলে খবর দিয়েছে এনডিটিভি।

প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২১ সালের আগস্টে আফগানিস্তানে তালেবান ক্ষমতা দখলের পর এটি হবে কাবুল থেকে নয়াদিল্লিতে প্রথম উচ্চ-পর্যায়ের সফর, যা ভারত-তালেবান সম্পর্কের এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে।

জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ নিশ্চিত করেছে যে, মুত্তাকিকে আন্তর্জাতিক ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা থেকে সাময়িক অব্যাহতি দেয়া হয়েছে, যার ফলে তিনি ৯ থেকে ১৬ অক্টোবরের মধ্যে নয়াদিল্লি সফর করতে পারবেন।

অনেকে বলছেন, আফগান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞায় এই অব্যাহতিই তার ভারত সফরের তাৎপর্যকে তুলে ধরে।

জানা গেছে, ভারতীয় কূটনৈতিক মহল কয়েক মাস ধরে এই মুহূর্তটির জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। জানুয়ারি থেকে, ভারতীয় কর্মকর্তারা মুত্তাকি এবং অন্যান্য তালেবান নেতাদের সাথে কয়েক দফা বৈঠক করেছেন। প্রায়শই দুবাইয়ের মতো ‘নিরপেক্ষ স্থানে’ তাদের বৈঠক হয়েছে। 

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব দুবাইতে আফগানিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকির সাথে দেখা করেছিলেন, যেখানে নয়াদিল্লির আফগানিস্তানে চলমান মানবিক সহায়তা, বিশেষ করে স্বাস্থ্য খাতকে শক্তিশালীকরণ এবং শরণার্থী পুনর্বাসনে সহায়তা প্রদানের ওপর আলোকপাত করা হয়।

২০২১ সালের আগস্টে তালেবান ক্ষমতায় আসার পর থেকে, ভারত আফগানিস্তানে প্রায় ৫০ হাজার টন গম, ৩৩০ টনেরও বেশি ওষুধ ও টিকা এবং ৪০ হাজার লিটার কীটনাশকসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সরবরাহ করেছে।

এদিকে, মুত্তাকির এই সফরকে পাকিস্তানের জন্য একটি ‘বড় ধাক্কা’ হিসেবে ব্যাখ্যা করছেন অনেকে। কারণ দীর্ঘদিন ধরে কাবুলের ওপর প্রভাব বজায় রাখার চেষ্টা করে আসছে ইসলামাবাদ। সূত্র: এনডিটিভি