News update
  • Biman suspends Tuesday’s Dhaka-Dammam flight     |     
  • First Phase of Union Parishad Polls Set for January 21     |     
  • PM Seeks Canadian Support for Energy, Agriculture, Climate Finance     |     
  • Saudi-led coalition intercepts drone, Houthi ballistic missile     |     
  • Houthi Attack in Riyadh Puts Bangladeshis at Risk     |     

গ্রীষ্মকালীন সবজির বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক কৃষি 2022-06-28, 1:48pm




চলতি মৌসুমে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ৬ জেলায় গ্রীষ্মকালীন সবজির বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। যশোর কৃষি জোনের আওতায় যশোর, ঝিনাইদহ,মাগুরা, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুর জেলায় ৪৯ হাজার ৯৬৬ হেক্টর জমিতে গ্রীষ্মকালীন সবজি চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১০লাখ ৪৮ হাজার ৫৩২ মেট্রিক টন। জেলার সাতমাইলসহ বিভিন্ন মাঠজুড়ে গ্রীষ্মকালীন সবজির সমারোহে সবুজ হয়ে উঠেছে।বাজারে গ্রীষ্মকালীন সবজির দাম ভালো পাওয়ায় চাষির মুখে খুশির ঝিলিক মিলছে।

যশোর আঞ্চলিক কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের এপ্রিল মাসের শুরু থেকে  গ্রীষ্মকালীন সবজির আবাদ শুরু হয়েছে।এক জমিতে একাধিকবার সবজি চাষ করে লাভবান হচ্ছেন চাষিরা।  যশোর জেলায় গ্রীষ্মকালীন সবজি চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫ হাজার ১০০ হেক্টর জমিতে।এ জেলায় উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৩লাখ ৩৯ হাজার ৭৫০ মেট্রিক টন। ঝিনাইদহ জেলায় সবজি চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ হাজার ২০০ হেক্টর জমিতে। এ জেলায় উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১লাখ ৯৭ হাজার ৩৭০ মেট্রিক টন। মাগুরা জেলায় সবজি চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ হাজার ৫২৫ হেক্টর জমিতে। এ জেলায় উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬৫ হাজার ২১৩ মেট্রিক টন। কুষ্টিয়া জেলায় সবজি চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৭ হাজার ৩৫০ হেক্টর জমিতে লক্ষ্যমাত্রা। এ জেলায় উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১লাখ ৭৬ হাজার ৪০০ মেট্রিক টন।চুয়াডাঙ্গা জেলায় সবজি চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৮ হাজার ৬১১ হেক্টর জমিতে। এ জেলায় উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১লাখ ৬৩ হাজার ৬০৯ মেট্রিক টন এবং মেহেরপুর জেলায় গ্রীষ্মকালীন সবজি চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার ১৮০ হেক্টর জমিতে। এ জেলায় উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১লাখ ৬ হাজার ১৯০ মেট্রিক টন।

যশোর সদরের সাতমাইল এলাকার একাধিক সবজি চাষি জানান, বিষা প্রতি জমিতে বিভিন্ন প্রকার সবজি চাষে তাদের খরচ হয় ২০ হাজার থেকে ২৫ হাজার টাকার মতো।একবিঘা জমিতে তারা কমপক্ষে ৫০ থেকে ৭০হাজার টাকার সবজি বিক্রি করে থাকেন।

বাজার সূত্রে জানা যায়,বর্তমানে খুচরা বাজারে এক কেজি বেগুন ৫০-৫৫টাকা, ধুন্দল প্রতিকেজি ২৫টাকা,কুসি প্রতিকেজি ৩০-৩৫টাকা,লাল শাক ও সবুজ শাক প্রতিকেজি ৫০-৬০টাকা,বরবটি শিম প্রতিকেজি ৩৫-৪০টাকা,ঝিঙ্গে প্রতিকেজি ৩০টাকা,উচ্ছে প্রতিকেজি ৩০-৩৫টাকা,মিষ্টি কুমড়া প্রতিকেজি ২৫-৩০টাকা,ক্ষিরাই প্রতিকেজি ২৫-৩০টাকা, পটল প্রতিকেজি ২৫টাকা, কচু সাইজভেদে ৩০-৪০টাকা, ডাটা প্রতি আটি ২০টাকা এবং লাউ সাইজভেদে ৩০টাকা থেকে ৩৫টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

যশোর আঞ্চলিক কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক ড. মোহাম্মদ এখলাস উদ্দিন বলেন,যশোরসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ৬ জেলা সবজি উৎপাদনের জন্য উর্বর ভুমি।এখানকার উৎপাদিত সবজির স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায় পাইকারিভাবে বিক্রি হয়ে থাকে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে চলতি মওসুমে গ্রীষ্মকালীন সবজির বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে বলে তিনি জানান। তথ্য সূত্র বাসস।