News update
  • 136 new drugs in 195 essential drugs list, pricing guidelines     |     
  • BSF halts overnight road building near border as BGB intervenes     |     
  • U.S. Pullout From Global Bodies Sparks Widespread Alarm     |     
  • DU Syndicate for renaming Sheikh Mujib Hall after Osman Hadi     |     

সিলেটকে হারিয়ে টেবিল টপার চট্টগ্রাম

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক ক্রিকেট 2026-01-07, 10:44pm

etertey-914acf647b77e27b22569c7ba92ce0a01767804279.jpg




অ্যাডাম রসিংটনের দায়িত্বশীল ব্যাটিং এবং মাহমুদুর রহমান জয় আর শেখ মেহেদীর ব্যাটিং ঝড়ে বিশাল সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছিল চট্টগ্রাম রয়্যালস। এরপর বোলিংয়ে গতির ঝড় উঠালেন আমের জামাল। তার বোলিংয়ে পরাস্ত হয়ে ফিরলেন সিলেটের ব্যাটাররা। আরেকটি জয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠে গেলো চট্টগ্রাম।

আজ বুধবার (৭ জানুয়রি) সিলেট টাইটান্সের বিপক্ষে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৮ রান সংগ্রহ করেছে চট্টগ্রাম রয়্যালস। জবাব দিতে নেমে ২ বল বাকি থাকতে অলআউট হওয়ার আগে ১৮৪ রান তুলতে পেরেছে সিলেট। ফলে ১৪ রানে জয় পেয়েছে চট্টগ্রাম।

বড় রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই হোচট খায় সিলেট টাইটান্স। দলীয় চার রানের মাথায় হতাশ করে ফেরেন পারভেজ হোসেন ইমন (৪ বলে ২ রান)।

এরপর অবশ্য আরেক ওপেনার তৌফিক খান ও তিনে নামা আফিফ হোসেনের ব্যাটে প্রতিরোধ গড়ে সিলেট। এই দুজন মিলে দ্বিতীয় উইকেটে ৪০ রানের জুটি গড়েন। তৌফিককে ফিরিয়ে সেই জুটি ভাঙেন আমের জামাল। তিনি ফেরেন ১৯ বলে ২৩ রান করে।

এরপর আর সেভাবে দায়িত্ব নিতে পারেননি কোনো ব্যাটার। মঈন আলী (১১ বলে ১৩), আজমতউল্লাহ ওমরজাই (১৪ বলে ১৮), ইথান ব্রুকস (১০ বলে ২০), মিরাজরা (১৪ বলে ১৭) ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেননি। এতে আর ম্যাচেও ফেরা হয়নি সিলেটের।

শেষদিকে ব্যাটহাতে ঝড় তুলেছিলেন খালেদ আহমেদ। তবে সেটি কেবল পরাজয়ের ব্যবধানই কমিয়েছে। ২ বল থাকতে আউট হওয়ার আগে এক চার টআর ৩ ছক্কায় ৯ বলে ২৫ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন। 

এর আগে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে আগের কয়েকটি ম্যাচের মতো এদিনও দারুণ ব্যাটিং প্রদর্শনী করলেন চট্টগ্রামের দুই ওপেনার মোহাম্মদ নাঈম আর অ্যাডাম রসিংটন। যদিও নাঈম বেশি সময় উইকেটে থাকতে পারলেন না। ১৫ বলে ১৮ রান করে তিনি ফিরলেও রসিংটন চালিয়ে গেছেন প্রদর্শনী।

রসিংটনের সঙ্গে সিলেটে চার-ছক্কার বৃষ্টি নামাতে যোগ দেন মাহমুদুল হাসান জয়। জয় এদিন ছিলেন আরও আগ্রাসী। ২০০ এর ওপরে স্ট্রাইকরেটে ব্যাটিং করেছেন তিনি। হাফসেঞ্চুরির কাছে যাওয়া জয়ের ঝড় থামান রুয়েল মিয়ার। ২১ বলে ৪৪ রান করে ফেরেন তিনি। 

বিপিএলে প্রথম ব্যাটার হিসেবে টানা চার ম্যাচে হাফসেঞ্চুরির রেকর্ড গড়া থেকে এক কদম দূরে ছিলেন রসিংটন। কিন্তু সেই এক রানের আক্ষেপ নিয়ে ফিরতে হয়েছে তাকে। ৩৮ বলে ৪৯ রান করে আউট হন তিনি।

এরপর চট্টগ্রামের রান বাড়ানোর কাজটা করেন হাসান নাওয়াজ। তার সঙ্গী আসিফ আলী (৮ বলে ১৩ রান) ভালো শুরুর পর ফেরেন দ্রুতই। এরপর নাওয়াজও বেশি সময় উইকেটে টিকতে পারেননি। ২০ বলে ২৫ রান করে রুয়েল মিয়ার শিকার হন তিনি।

শেষ দিকে চট্টগ্রামের রানের চাকায় গতি বাড়ান অধিনায়ক শেখ মেহেদী। ঝড়ো ব্যাটিংয়ে চট্টগ্রামের রান  দুইশর কাছে নিয়ে যান তিনি। শেষ পর্যন্ত ৪ চার আর এক ছক্কায় ১৩ বলে ৩৩ রানে অপরাজিত থাকেন মেহেদী আর আমের জামাল ৫ বলে ৬ রানে।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

চট্টগ্রাম রয়্যালস : ২০ ওভারে ১৯৮/৫ (নাইম ১৮, রসিংটন ৪৯, জয় ৪৪, নাওয়াজ ২৫, আসিফ ১৩, মেহেদী ৩৩*, জামাল ৬*; রুয়েল ৪-০-৪১-৩, খালেদ ৪-০-৫৫-০, মঈন ৪-০-২৩-১, নাসুম ৪-০-২৪-০, ওমরজাই ৪-০-৪৭-১)

সিলেট টাইটান্স : ( ইমন ২, তৌফিক ২৩, রনি ৬, আফিফ ২৩, মঈন ১৩, ওমরজাই ১৮, ইথান ২০, নাসুম ০, মিরাজ ১৭, খালেদ ২৫, রুয়েল ০*; শরিফুল ৪-০-৩৯-২, আবু হায়দার ৪-০-৩৫-১, মেহেদী ৪-০-৩০-০, জামাল ৪-০-৩৪-৪, নাওয়াজ ১-০-৮-১, তানভীর ২.৪-০-৩৮-২)