News update
  • Dhaka Wants Conducive Environment For PM Tarique’s India Visit     |     
  • Healthy Diet Becomes Costlier Although Hunger Eases     |     
  • Biodiversity Still at Breaking Point; With It Our Survival     |     
  • The Fight To Preserve Indigenous Languages     |     
  • Glacial collapse cause mudslide-flood on China Nepal borders     |     

সরকারি পুকুরের মাটি চুরি, খবর প্রকাশ করায় ইউএনও’র অফিসে সাংবাদিকের ওপর হামলা

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক খবর 2026-04-29, 1:54pm

r5tretret435-a2fee02c851791c35c2a75048422f4691777449265.jpg




জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে সরকারি পুকুরের মাটি ও বালু উত্তোলনের সংবাদ প্রকাশ করার জেরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কক্ষে হামলার শিকার হয়েছেন দৈনিক কালবেলার ক্ষেতলাল উপজেলা প্রতিনিধি আমানউল্লাহ আমান।

স্থানীয় সূত্রে ও প্রত্যক্ষদর্শী সাংবাদিকরা জানান, মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) বিকেলে ক্ষেতলাল নিজ অফিস কক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সানজিদা চৌধুরী। এমন সময় ক্ষেতলাল উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু বক্কর সিদ্দিক তার লোকজন নিয়ে উপজেলা সেখানে ঢুকে আমানউল্লাহ আমানকে গালিগালাজ করতে থাকেন। এ সময় পেছন থেকে বিএনপি নেতার সঙ্গে আসা কয়েকজন আমানের ওপর হামলা ও মারধর করেন। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

ভুক্তভোগী সাংবাদিক আমানউল্লাহ আমান বলেন, সংবাদ প্রকাশের জের ধরে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে আমার ওপর বিএনপি নেতা আবু বক্কর সিদ্দিক তার লোকজন হামলা করে। বর্তমানে আমি চিকিৎসা নিচ্ছি। আগামীকাল অভিযোগ দায়ের করব। আশা করি আমি ন্যায়বিচার পাব।

ঘটনার বিষয়ে ক্ষেতলাল উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু বক্কর সিদ্দিক তার বিরুদ্ধে অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, দুই-এক মিনিটের মধ্যে এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে। তেমন বড় কোনো ঘটনা ঘটেনি তবে ঠেলাঠেলি হয়েছে অন্য লোকজনের সঙ্গে।

ঘটনার বিষয়ে ইউএনও সানজিদা চৌধুরীর সঙ্গে মুঠোফোনে বারবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

ক্ষেতলাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোক্তাদুল আলম জানান, এ বিষয়ে ইউএনও আমাকে ফোন দিলে তার অফিসে গিয়ে আমি মারামারি দেখতে পাইনি তবে উত্তেজনাপূর্ণ পরিবেশ দেখি এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করি। তারপর অফিসের নিচে ৪০/৫০ জনের মতো বিক্ষুব্ধ জনগণ দেখে তাদেরকে সেখান থেকে সরিয়ে দেই। পরে আমানউল্লাহ আমানকে তার বাড়িতে চলে যেতে বলি। আমানউল্লাহ বাড়িতে যাওয়ার সময় উপজেলা পরিষদের মেইন গেটের দিকে যেতেই তার উপর আবারও হামলার চেষ্টা করলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে তাকে নিরাপদে যেতে সহযোগিতা করা হয়।

এদিকে এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন জেলা-উপজেলার সাংবাদিকরা। অবিলম্বে দোষীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তারা।