News update
  • Protecting democracy now our biggest responsibility: President     |     
  • Bangladesh Has 1.584m Tonnes of Fertiliser in Surplus      |     
  • July Uprising crimes: Obaidul Quader, six others get death penalty     |     
  • School relocation row halts Gaibandha char children’s learning     |     
  • REHAB president's post declared vacant over loan default     |     

প্রতিদিন প্রোটিন পাউডার খেলে শরীরে কী ঘটে জানেন?

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক খাদ্য 2026-07-28, 4:23pm

dgretwerwer-8edd871ad70157e88de8626d6db61dc61785234201.jpg




পেশি গঠন, শক্তি বাড়ানো বা ওজন কমানোর আশায় অনেকেই নিয়মিত প্রোটিন পাউডার খাচ্ছেন। এক গ্লাস দুধ বা ফলের শরবতের সঙ্গে এটি মিশিয়ে খাওয়ার অভ্যাসও বাড়ছে। তবে এই অভ্যাস সব সময় নিরাপদ নাও হতে পারে। হার্ভার্ড হেলথে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রোটিন পাউডারে এমন কিছু উপাদান থাকতে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদে শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রোটিন পাউডার উদ্ভিদ, ডিম বা দুধ থেকে তৈরি হয়। তবে এতে অনেক সময় অতিরিক্ত চিনি, কৃত্রিম স্বাদ, ঘন করার উপাদান, বিভিন্ন ভিটামিন ও খনিজও মেশানো হয়। একেকটি প্রোটিন পাউডারে প্রোটিনের পরিমাণও একেক রকম হতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রোটিন পাউডার খাদ্য পরিপূরক হওয়ায় এর সব উপাদান সব সময় স্বাধীনভাবে পরীক্ষা করা হয় না। ফলে পণ্যে যা লেখা থাকে, বাস্তবে সব সময় তা-ই রয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া কঠিন।

এছাড়া দীর্ঘদিন নিয়মিত প্রোটিন পাউডার খাওয়ার প্রভাব সম্পর্কেও এখনও পর্যাপ্ত তথ্য নেই। দুধ থেকে তৈরি প্রোটিন পাউডার খেলে যাদের দুধে অ্যালার্জি আছে বা দুধ সহজে হজম হয় না, তাদের পেটব্যথা, গ্যাস বা হজমের সমস্যাও হতে পারে।

অনেক প্রোটিন পাউডারে অতিরিক্ত চিনি ও ক্যালরি থাকে। ফলে নিয়মিত খেলে ওজন বাড়তে পারে এবং রক্তে শর্করার মাত্রাও বেড়ে যেতে পারে।

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, একটি গবেষণায় বিভিন্ন প্রোটিন পাউডার পরীক্ষা করে অনেকগুলোতে সিসা, আর্সেনিক, ক্যাডমিয়াম, পারদ, প্লাস্টিক তৈরিতে ব্যবহৃত রাসায়নিক, কীটনাশকসহ ক্ষতিকর উপাদানের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। এসব উপাদান দীর্ঘমেয়াদে ক্যানসারসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যঝুঁকির সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। তবে সব প্রোটিন গুঁড়ায় এমন উপাদান পাওয়া যায়নি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সাধারণ মানুষের প্রয়োজনীয় প্রোটিনের বেশির ভাগই দৈনন্দিন খাবার থেকেই পাওয়া সম্ভব। ডিম, দই, দুধ, বাদাম, ডাল, মাছ, মুরগির মাংস ও চর্বিহীন মাংস ভালো প্রোটিনের উৎস।

তবে কিছু বিশেষ ক্ষেত্রে, যেমন ক্যানসারের চিকিৎসার কারণে খেতে সমস্যা হলে, বড় অস্ত্রোপচারের পর ক্ষত শুকাতে দেরি হলে বা গুরুতর অসুস্থতায় অতিরিক্ত প্রোটিনের প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের পরামর্শে প্রোটিন পাউডার খাওয়া যেতে পারে। 

যা জানা জরুরি:

১. প্রোটিন পাউডারে অতিরিক্ত চিনি, ক্যালরি বা কৃত্রিম উপাদান থাকতে পারে।

২. দীর্ঘদিন নিয়মিত খাওয়ার প্রভাব সম্পর্কে এখনও পর্যাপ্ত তথ্য নেই।

৩. দুধ থেকে তৈরি প্রোটিন পাউডার অনেকের হজমের সমস্যা তৈরি করতে পারে।

৪. কিছু প্রোটিন পাউডারে ক্ষতিকর ভারী ধাতু ও অন্যান্য দূষিত উপাদান পাওয়া গেছে।

৫. চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া নিয়মিত প্রোটিন পাউডার না খেয়ে খাবার থেকেই প্রোটিন গ্রহণ করাই সবচেয়ে নিরাপদ। সূত্র: হার্ভার্ড হেলথ